ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশায় দুটি বীরনিবাস নির্মাণ কাজ দীর্ঘ ৫ মাস ধরে বন্ধ রাখায় সংশ্লিষ্ট কাজের সাব ঠিকাদার চুন্নু মিয়ার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপলো নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে চুন্নু মিয়া ইউএনও কার্যালয়ে গেলে তাকে আটক ও তার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য পিআইওকে নির্দেশ দেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত উপকারভোগী এক বীর মুক্তিযোদ্ধার অনুরোধে চুন্নু আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সবকটি বীরনিবাস নির্মাণ কাজ শেষ করার সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়। পরে চুন্নু মিয়া ট্যাম্পে এমন লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে মুক্তি নেয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বীরনিবাস নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় ১ কোটি ২০ লাখ ৫৫৯ টাকা ব্যয়ে ৯টি বীর নিবাস নির্মাণের কাজ পায় মেসার্স জব্বার বিল্ডার্স নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এর ঠিকাদার মঞ্জুরুল হক সুজন হলে কাজ বাস্তবায়ন করছেন সাব ঠিকাদাদর চুন্নু মিয়া। কার্যাদেশ অনুযায়ী চলতি বছরের শুরুতে বীর নিবাস নির্মাণ কাজ শুরু করে তা একই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু ও শেষ হয়নি। এর মধ্যে দুটি বীর নির্বাস নির্মাণে নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। উপকারভোগী দুই পরিবারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে ইউএনওর কাছে অভিযোগ করা হলে ইউএনও দুই দুইবার কাজ পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পান। কিন্তু অভিযোগ করার কারণে চুন্নু গত ২৯ মার্চ থেকে মোদাহরপুর গ্রামের দুটি বীরনিবাস নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। গত ৩১ আগস্ট উপকারভোগীদের পক্ষ থেকে এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনতাসির হাসান বলেন, ‘৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুন্নু কাজ শেষ করবে বলে লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেছে। এর মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’