বিশেষ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর উত্তর- বিশ্বম্ভরপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীতা ঘোষণা করে তিন প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। এই তিন প্রার্থীর মধ্যে দুই প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যার্টিার এম এনামুল কবির ইমন এক বলয়ে। ভিন্ন অবস্থান থেকে প্রচারণায় নেমেছেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য সুনামগঞ্জ
পৌরসভার মেয়র আয়ুব বখ্ত জগলুল। সভা-সমাবেশে এরা কৌশলে একে অপরের বিরোধিতা করছেন।
বুধবার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা কৃষক লীগের বর্ধিত সভায় একমঞ্চে বক্তব্য দিয়েছেন। এরা কৌশলে জগলুলের সমালোচনা করেছেন। বিকালে পৌর মেয়র আয়ুব বখ্ত জগলুল শহরে শো-ডাউন করেছেন। শো-ডাউন পরবর্তী সমাবেশে তিনি মতিউর-ইমনকে দোষারোপ করেছেন।
সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান পৌর মেয়র জগলুলের গণ-জমায়েতে কারা থাকেন, ইঙ্গিত করে বলেন,‘ পৌরসভায় ৩ হাজার ভিজিএফ কার্ড কেন ? এগুলো হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাওয়ার কথা।’
একই মঞ্চে উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন বলেন ‘মোস্তাক চরিত্রধারী’দের থেকে সাবধান থাকবেন।’
এদিকে বিকাল সাড়ে ৪ টায় পৌরসভা মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর আয়ুব বখ্ত জগলুলের নেতৃত্বে শহরে-‘মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিজয় র্যালি’ বের করা হয়। ওই মিছিলে জগলুলের প্রার্থীতা দাবি করে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়া হয়েছে। মিছিল শেষে সমাবেশে আয়ুব বখ্ত জগলুল বলেন,‘সুনামগঞ্জ-৪ আসনে স্থানীয় মানুষ সংসদ সদস্য হতে পারে না, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের স্থানীয় কেউ মনোনয়ন পায় না। স্থানীয়রা ‘নৌকা’ প্রতীক পেলে মানুষ বিপুল ভোটে অভিসিক্ত করবে। মানুষ চায় যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমনের উদ্দেশ্যে বলেন,‘২ জন মানুষ ২ বছর ধরে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এরা কমিটি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২ জন কিংবা ৫০ জন একদিকে থাকলেই কি, আরেক দিকে যখন ৫০ হাজার থাকবে, তখন ৫০ হাজারের পাল্লাই ভারী হবে।’ জগলুল বলেন,‘জননেত্রী শেখ হাসিনার অনেক সফলতা থাকার পরও বাকশালীদের ষড়যন্ত্রের কারণে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি। বাকশালীরা মোস্তাক চক্রের হয়ে কাজ করেছে।’