স্টাফ রিপোর্টার
দক্ষিণ সুনামগঞ্জের মন্দিরে ঢুকে সনাতন ধর্মালম্বীদের দেবতার মূর্তির উপর পা রেখে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত মো. ফাহিম আহমেদকে শিশু সংশোধনাগার টঙ্গীতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন এই আদেশ দেন।
ফাহিম আহমেদ ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের সিংচাপইড় গ্রামের মো. রিপন মিয়ার ছেলে। ফাহিমের ফেসবুক পোস্টের স্কিনসট শুক্রবার সুনামগঞ্জ জেলায় ভাইরাল হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দিরের ভেতরে মূর্তির পা রেখে নিজের ফেসবুক আইডিতে একাধিক ছবি আপলোড করে সে।
এর আগে ওই দিন দুপুর ১২ টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দিরে যায় ছাতকের সিংচাপইড় গ্রামের ফাহিমসহ তিন কিশোর। তারা মন্দিরের ভেতরে আধাঘণ্টা অবস্থান করে। এসময় ফাহিম মন্দিরের ভেতরে শ্রী নৃসিংহ দেব এবং শ্রীকৃষ্ণের মূর্তির উপর পা রেখে ছবি তোলে। কিন্ত মন্দিরের সিসি ক্যামেরা নষ্ট থাকায় ও পুরোহিত বা অন্য কারো নজরে পরেনি বিষয়টি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত ফাহিম আহমেদের জন্ম ২০০৬ সালে। শনিবার তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করা হয়।
কোর্ট ইন্সপেক্টর বদরুল আলম তালুকদার শনিবার বিকালে জানান, ফাহিম আহমেদকে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন শিশু সংশোধনাগার- টঙ্গীতে প্রেরণ করার আদেশ দিয়েছেন।