ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরীকে পুনরায় আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার দাবিতে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সঞ্জয় রায় চৌধুরীকে জামাত-বিএনপিকে আশ্রয়দান ও তাদের সাথে সখ্যতাকারী, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী এবং দুর্নীতিবাজ আখ্যায়িত করে মঙ্গলবার বিকেলে জয়শ্রী বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের ব্যানারে এ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সঞ্জয় রায় চৌধুরী ২০১৬ সালের ৪ জুন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান পদে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন। এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় জয়শ্রী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাই উপলক্ষে বর্ধিত সভা হয়। স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত বর্ধিত সভায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাধব চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোখলেছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় ১০ জন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নাম প্রস্তাব করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এতে সঞ্জয় রায় চৌধুরীর নামও রয়েছে। কিন্তু বর্ধিত সভা শেষে সঞ্জয় রায় চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার দাবিতে জয়শ্রী বাজারে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। গণমিছিলটি জয়শ্রী বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
জয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরী বলেন, ‘কে বা কারা এমনটি করেছে জানিনা। আমরাতো অফিসেই (দলীয় কার্যালয়) ছিলাম। এমনটি হয়েছে শুনিনি। যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে বর্ধিত সভা বা আমার পক্ষে নৌকার বিরাট মিছিলের আগে তা করে নাই। এমনকি এর আগে কেউ ব্যানারও প্রদর্শণ করে নাই।’
জয়শ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘বর্ধিত সভার পরে জয়শ্রী বাজারের বর্তমান চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরীকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার দাবিতে গণমিছিল হয়েছে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নাজিম উদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘নৌকা নিয়ে পাস করেও ইউনিয়ন নেতাকর্মী ও জনগণের সাথে তাঁর (সঞ্জয়) কোনো সম্পৃক্ততা নাই। এটা বরদাস্ত করা করা যায় না। জনগণ তাকে (সঞ্জয়) চায়না। এ কারণেই জনগণ প্রকাশ্যে মিছিল করেছে।’