সু.খবর ডেস্ক
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১০ জানুয়ারির সমাবেশে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুলের এক যৌথসভায় বৃহস্পতিবার তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি ছাত্রলীগের বুধবারের র্যালিতে সৃষ্ট যানজটের কারণে ঢাকাবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন।
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী সংলাপে আসার জন্য আহ্বান করেছিলেন ফোন করে। কিন্তু তিনি নির্বাচনে আসেননি। বিএনপি নির্বাচনে না আসলে কি নির্বাচন থেমে থাকবে?
কাদের বলেন, তারা নির্বাচনে আসেনি। আর সেজন্য তারা কত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে আন্দোলনের নামে সহিংসতা করে। এটাই কি গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন?
এখনো বিএনপির ষড়যন্ত্র চলছে জানিয়ে এ নেতা বলেন, আজো তারা মুখে মুখে গণতন্ত্রের বুলি আওড়াচ্ছে, আর ভেতরে ভেতরে সংঘাতের উস্কানি দিচ্ছে। বিএনপি আজ মুখে বলছে গণতন্ত্র, তলে তলে করছে ষড়যন্ত্র।
তিনি বলেন, তারা দেশকে অস্থিতীশীল করতে উস্কানি দিচ্ছে। কিন্তু ১৯৮১ সালের শেখ হাসিনার চেয়ে ২০১৭ সালের শেখ হাসিনা শতগুণ বেশি শক্তিশালী। কোন ষড়যন্ত্র হলে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। কোন আঘাত হলে বাংলার মাটি তা হজম করবে না। তাই চক্রান্ত রুখতে দেশবাসীকে আমরা ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে যাচ্ছি।
যৌথসভায় নেতাকর্মীদের বিশৃঙ্খলার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দল করতে হলে দলের শৃঙ্খলা মানতে হবে। দলের নিয়ম-কানুন মানতে হবে। আবেগকে সংযত করতে হবে। সেন্টিমেন্টকে প্রশমিত করতে হবে।
১০ জানুয়ারির সমাবেশে জনদুর্ভোগ কমাতে শৃংখলা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতায় আছি বলে রাস্তা দখল করে ফেলবো, এটা করা যাবে না। রাস্তার একটি অংশ ছেড়ে দিতে হবে, অনেক রোগী, সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে।
কাদের বলেন, গতকাল ছাত্রলীগের র্যালি চার ঘন্টায় শেষ হয়েছে। এতে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাদের কাছে আমি দুঃখপ্রকাশ করছি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমএ সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।