আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেছেন, ‘একটি কুচক্রী মহলের জন্য হাওরের ফসলডুবি হয়েছে। এখন আবার এদের রক্ষার জন্য একটি মহল চেষ্টা চালাচ্ছে। আমি একজন কৃষকের সন্তান, আমি কৃষকের বেদনা বুঝি।’ তিনি বলেন, আগামী বোর ফসল উঠার আগ পর্যন্ত উপজেলার ১৯ হাজার কৃষক ৩০ কেজি চাল ও ৫শ’ টাকা সহায়তা পাবেন।’
শনিবার তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে কাউকান্দি, সাধের খলা ও খলিশাজুড়ি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধনকালে ইউনুছপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ও তাহিরপুর উপজেলা গণমিলনায়তন কেন্দ্রে ৪৬ তম সমবায় দিবসের পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেক সমাবেশে কিছু নেতা কর্মী আমার বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে বলে, আমি নাকি কৃষকের সন্তান। তিনি বলেন, হ্যাঁ আমি রতন কৃষকের সন্তান। আমি কৃষকের সন্তান বলে আমি গর্ববোধ করি। যারা আমার বিরুদ্ধে এসব কথা বলে, তারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকারের সন্তান। তাদের পরিবারের লোকজন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ করেছে। তাদের বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার জনগণের সরকার, এই সরকারের আমলে হাওরাঞ্চলসহ সমগ্র দেশ উন্নয়ন করা হচ্ছে।
তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর খোকন ও দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য হাজী আবুল হোসেন খান, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানাজার নিতীশ সাহা, থানা অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি আলী মর্তূজা, সাবেক সভাপতি আব্দুছ ছোবাহান আখঞ্জি, বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, ধরমপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফেরদৌসুর রহমান, ধরমপাশ সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা অমরেশ রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক হাজী ইউনুছ আলী, বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন।