- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

ওয়েজখালীতে সড়কে বাজার লাখ টাকা ভাড়া নেয় কে?

স্টাফ রিপোর্টার
পৌরসভার ওয়েজখালী এলাকায় সড়কে বাজার বসিয়ে যানজট ও জনদুর্ভোগ তৈরি করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) এর জায়গায় দোকানকোটা ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দখলদাররা। ভ্রাম্যমাণ দোকানীদের ভাড়া দিয়ে এই টাকা উত্তোলন করছে তারা। সড়কের দুই পাশে মাছ-সবজির বাজার বসায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ওই অংশে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনাও। নষ্ট সবজি ও পচা মাছের উচ্ছিষ্ট অংশ সড়কের যত্রতত্র ফেলে রাখায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগ কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে অবৈধ স্থাপনা সরানোর জন্য। করা হয়েছে মাইকিং। এসব নোটিশে মহাসড়কের পাশে দোকানকোটা স্থাপন না করার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু দখলদাররা এসব নোটিশের তোয়াক্কা করছেন না। বরং জোরপূর্বক সড়কের পাশে জায়গা দখল করে দোকানকোটা নির্মাণ করেছেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওয়েজখালী বাজারের দুপাশে দখল করে দোকান করা হয়েছে। ডান দিকে রয়েছে মুদি ও সবজি দোকান। বামপাশে গড়ে উঠেছে মাছ বাজার। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহাসড়কে দাঁড়িয়েই দোকানগুলোতে ঝুঁকিপূর্নভাবে কেনাকাটা করেন ক্রেতারা। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানীরা বলেন, আমরা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণে ভাড়া দিই। কারণ আমাদের চলতে হবে দোকান দিয়ে। প্রতিটি দোকানের দখলদার রয়েছেন। তাদের ভাড়া না দিলে দোকান তুলে দিবে।
ওয়েজখালীর বাসিন্দা সাহেল আহমদ বলেন, অবৈধভাবে দোকানকোটা দিয়ে মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলছে দখলদাররা। এই দখলদারদের উচ্ছেদ করে এলাকাটি ঝুঁকি মুক্ত করা হোক।
জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা মহাসড়কের পাশে দোকানকোটা অপসারণ করেছি। পুনরায় দোকানকোটা না বসাতে মাইকিং, নোটিশ করেছি। কোনো কাজ হয়নি। আবারো মহাসড়কের পাশে দোকানকোটা নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মিটিংয়ে আমি প্রস্তাব দিয়েছি সড়কের পাশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য। আশা করা যায় আমরা দ্রুত সড়কের পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারবো।

  • [১]