স্টাফ রিপোর্টার
জামালগঞ্জে পাঁচ বছরের কন্যা শিশুকে বলৎকারের অভিযোগে নূর আলম (১৬) নামের এক বখাটেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার মধ্যরাতে ওই বখাটেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। রোববার সকালে শিশু কন্যার মা বাদী হয়ে বখাটে নূর আলমকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। দুপুরে নির্যাতিত শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
শিশুটির মায়ের দায়ের করা মামলায় (নম্বর-০৭. তারিখ-২৩.০১.২২) উল্লেখ রয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ৮ টায় জামালগঞ্জের গজারিয়া উত্তর হাটির বাচ্চু মিয়ার ছেলে নূর আলম তার শিশু কন্যাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পাশের ঝোপঝাড়ে নিয়ে পায়ু পথে অবুঝ শিশুটিকে বলৎকার করে সে। কিছুক্ষণ পর মেয়েটি চিৎকার করতে করতে বাড়ী এসে বিষয়টি জানালে আশপাশের গণ্যমান্যরা এসে ঘটনা পুলিশকে জানান।
শেষে শনিবার মধ্যরাতেই পুলিশসহ থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে নূর আলমকে গ্রেপ্তার করেন। রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শিশুটির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. লিপিকা দাস জানালেন, আলামত দেখে ঘটনা সত্যই মনে হচ্ছে। বখাটে ধর্ষক নূর আলমের বয়সও ১৬ বছর। শিশুটিকে পায়ু পথে বলৎকার করেছে সে।
গ্রেফতারকৃত নুর আলমকে রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। ওই আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মহিউদ্দিন মুরাদ কিশোর নুর আলমকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের মাধ্যমে সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের সুনামগঞ্জ আদালতের পরিদর্র্শক মো. বদরুল আলম তালুকদার বলেন,‘ আদালত নুর আলমকে টঙ্গির সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আমরা তাকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠিয়েছি, কারা কতৃপক্ষ তাকে টঙ্গিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।’
জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মো. আব্দুন নাসের বলেন,‘ পাঁচ বছরের এক শিশুকে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগে নুর আলম নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটির ডাক্তারী পরীক্ষা হয়েছে। ধর্ষক নূর আলমের বাবা বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধেও ইতিপূর্বে গণধর্ষণ, মাদক, চাঁদাবাজি ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার ৪ টি মামলা হয়েছে। ’