- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

করচার পানি সেচায় পাম্প বাড়ানোর দাবি

স্বপন কুমার বর্মন, বিশ্বম্ভরপুর
বৃষ্টিপাতের পানিতে তলিয়ে যাওয়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার করচা হাওরে ফসল রক্ষায় সেচযন্ত্র দ্বারা পানি সেচার কাজ চলছে। তবে বৃষ্টির পানির জলবদ্ধতার পানিতে ইতোমধ্যেই শত শত একর বোরো ধান তলিয়ে গেছে এবং আরো ফসল তলিয়ে যাবার আশংকা রয়েছে।
হাওরে জলদ্ধতার পানি অপসারণ করে বোরো ফসল রক্ষার জন্য কৃষক জনতার দাবিতে মানববন্ধনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশসনের উদ্যোগে হাওরের পানি অপসারণ করতে রবিবার বিকাল থেকে সেচ যন্ত্র চালু করা হয়। পানি অপসারণের জন্য সেচ যন্ত্র বসানোর ফলে কৃষকদের মাঝে আশার আলো জেগেছে।
কৃষকদের ফসল রক্ষায় পানি সেচার জন্য জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন ১ লক্ষ টাকা অনুদান ঘোষণা করেন। স্থানীয় এমপি অ্যাড.পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ হাওর পরিদর্শন করে কৃষকদের ফসল রক্ষার সার্থে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। বর্তমানে করচা হাওরের পানি অপসরণের জন্য ৬ টি সেচ যন্ত্র চালু করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় কৃষকদের দাবি আরো ১০-১২ টি বড় সেচ যন্ত্র চালু করা হলে হাওরের অনেক বোরো ফসল রক্ষা করা সম্ভব হতো। বৃষ্টিপাত কমলে পানি সেচে ধান পুনরায় ফিরে পাওয়া যেতে পারে। হাওরের প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে প্রায় ৭-৮ শত হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
ফতেপুর ইউপি উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানিয়েছেন, ফতেপুর ইউনিয়নে ২৯০ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়েছে। এর মধ্যে ৬০ হেক্টর নষ্ট হয়েছে বাকী জমি আংশিক নিমজ্জিত হয়েছে। বেশী করে সেচ যন্ত্র লাগানো যায় তাহলে  ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন,‘আমরা কৃষকের ফসল রক্ষার সার্থে হাওরের পানি অপসারণ করতে সেচযন্ত্র চালু করেছি। আরো কয়েকটা লাগানোর প্রচেষ্টা চলছে। বৃষ্টিপাত না হলে ফসল রক্ষা করা যাবে।’
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ পানি সেচ কার্যক্রম এবং করচার হাওর পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

  • [১]