- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

কুশিয়ারার তীরে ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার দাবি

জগন্নাথপুর অফিস
পাগলা জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ-আউশকান্দি মহাসড়কের কুশিয়ারা নদীর তীরে রানীগঞ্জ এলাকায় ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি প্রস্তাবও পাঠিয়েছেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিবকেও এই প্রস্তাবের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
জগন্নাথপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মাহফুজুল আলম জানান, পাগলা- জগন্নাথপুর- আউশকান্দি মহাসড়কের রানীগঞ্জে দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সেতুর কাজ ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। সেতুটির কাজ শেষ হলে ঢাকার সাথে সুনামগঞ্জের দূরত্ব কমার পাশাপাশি সুনামগঞ্জ হতে হবিগঞ্জের ইকনোমিক জোন (মাধবপুর), আশুগঞ্জ ও আউশকান্দি হয়ে ঢাকার সাথে সরাসরি বাস চলাচল শুরু হবে।
তিনি বলেন, আশুগঞ্জ ও হবিগঞ্জে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে, গড়ে ওঠেছে ইকনোমিক জোনও। কুশিয়ারা নদীর তীরে ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার উপযোগী জমি রয়েছে। এছাড়াও ওই এলাকায় নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর বসবাস আছে, এখানে শ্রমঘন শিল্প শ্রতিষ্ঠান লাভজনক হবে। এসব বিবেচনায় এখানে একটি ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবটি সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছেন।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, কুশিয়ারা নদীর তীরে ইকনোমিক জোন হলে সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নৌ যোগাযোগের সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশেই রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ড। সার্বিক বিবেচনায় ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা জোর দাবি জানিয়েছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এর নিকট আমরা এ দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরেছি। এখানে একটি ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠা হলে প্রবাসী অধ্যুষিত এই উপজেলায় শিল্প প্রতিষ্ঠান বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আশা করি দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এর একান্ত সচিব হুমায়ুন কবির বলেন, রানীগঞ্জে ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। প্রস্তাবটি যাচাই বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • [১]