বিশেষ প্রতিনিধি
ঈদের আগেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা হতে পারে, এমন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় সুনামগঞ্জের কারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত কমিটিতে সুনামগঞ্জের ৪ জন দলীয় নেতা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। এবার এই সংখ্যা আরো বেড়ে কমপক্ষে ৭ জন নেতা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকতে পারেন বলে দলের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত. বিগত কেন্দ্রীয় কমিটিতে জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির প্রথম সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, দলীয় নেতা ছাতকের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং সাবেক ড্যাব নেতা ডা. রফিক চৌধুরী কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। এবার বিএনপির নতুন কমিটিতে ইতিমধ্যে সিলেট বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন।
দলীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কমিটি ঈদের আগে বা পরেই হোক সুনামগঞ্জের আরো কমপক্ষে ৬ জন নেতা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তালিকায় থাকতে পারেন। এরা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাবেক হুইপ ফজলুল হক আসপিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. রফিক চৌধুরী, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী, শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মুনসেফ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি নাদীর আহমদ।
এঁদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ নেতা ফজলুল হক আসপিয়াকে দলের উপদেষ্টাম-লীতে রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছেন একাধিক দলীয় নেতা।
ডা. রফিক চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেছেন,‘দলীয় চেয়ারপার্সন বিগত কমিটিতেও আমাকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করেছিলেন, এবারও যেখানেই উপযুক্ত মনে করে দায়িত্ব দেবেন, আমি সেই দায়িত্ব পালন করবো’।
জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাদীর আহমদ বলেন,‘আমি দলের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বায়োডাটা জমা দিয়েছি, আমি আশা করছি, আমাকে যে কোন সহসম্পাদক পদে স্থান দেওয়া হবে। আমরা সিলেটের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ক্ষোভের কথাও জানিয়েছি, আমরা বলেছি আমরা বঞ্চিত হয়েছি, সিলেটে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের মূল্যায়ন হয়নি’।
কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহসাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন,‘সুদীর্ঘ দিন থেকে জ্যেষ্ঠ এবং উদীয়মান নেতৃবৃন্দ যারা দলের জন্য ভূমিকা রেখেছেন, তাদের উপযুক্ত মূল্যায়ন হউক চাই আমরা, দলীয় চেয়ারপার্সনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা আমাকে মূল্যায়ন করায় আমি কৃতজ্ঞ, আমি সক্রিয়ভাবে গত ২৪ বছর ধরে বিএনপি করছি, প্রতিনিয়ত রাজপথে সক্রিয় থেকেছি, ভবিষ্যতেও থাকবো’।