ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে সুরমা নদীর উপর নির্মাণাধীন ব্রীজের এপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পরিশোধ না করে কাজ চলমান রাখায় ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভূমি মালিকদের বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে সওজ এবং নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অনেকটা বল প্রয়োগ করেই এপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের পক্ষে উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বারকাহন গ্রামের মৃত আব্দুল খালিক তালুকদারের পুত্র ছালিক মিয়া তালুকদার ভূমির মূল্য প্রাপ্তির জন্য এবং মূল্য পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার জন্য উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দিয়েছেন। রিটের প্রেক্ষিতে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর দ্বৈত বেঞ্চ ২৪ আগষ্ট ৪ সপ্তাহের রুল জারি করে নির্মাণ কাজে ৩ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। পাশাপাশি আদেশ জারির ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি ওয়াকিবহাল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতিও নির্দেশ প্রদান করা হয়।
জানা যায়, সুরমা ব্রীজের এপ্রোচ ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য বিভিন্ন এলএ কেইছ
এর মাধ্যমে ভাজনামহল ও কেশবপুর মৌজার প্রায় ৭ একর ভূমি অধিগ্রহণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
বারকাহন গ্রামের ছালিক মিয়া, আবু ইউসূফসহ ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা জানিয়েছেন, উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে সওজ এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি তারা জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে অবহিত করবেন বলে জানান।