স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ শহরের পূর্ব নতুনপাড়ার একাংশের বাসিন্দারা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ঝুলানো তার নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন। এই এলাকায় খুঁটি থেকে এক বছর ধরে বিদ্যুতের তার ঝুলছে বাঁশে-গাছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই বিদ্যুৎ লাইনে যে কোন সময় দুর্ঘটানা ঘটতে পারে। এলাকার ৫০ টিরও বেশি বাসভবনে ঝুঁকিপূর্ণ লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।
স্থানীয়রা জানান, তিন বছর আগে সড়কের দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে দুটি বিদ্যুতের পিলার সরানো হয়। ওই সময় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বড় আকারের বিদ্যুত সঞ্চালন লাইন ওখানে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়। বিদ্যুৎ অফিসে অবগত করার পরও বিদ্যুৎ লাইন খুঁটিতে নেবার ব্যবস্থা হয় নি। বাঁশের খুঁটিতে এবং গাছের সাথে তার পেঁচিয়ে বিদ্যুতের ব্যবহার করে আসছেন স্থানীয় ৫০ বাড়ির বাসিন্দারা। ঝড়-বৃষ্টির দিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন গ্রাহকরা।
এলাকাবাসী জানান, চারটি বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে তাদের আশপাশে। একটি কৃষ্ণপদ বণিকের বাসার সামনে, অপরটি রূপন মিয়ার দোকানের পাশে, আরেকটি সঞ্চিত রায়ের বাসার সামনে এবং মুহিত লাল রায়ের বাসার সামনে। এই ৪ খুঁটিতে এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে আছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন।
স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণপদ বণিক, বিজিত কুমার রায়, সুবোদ রঞ্জন দাস, মো. আবু তাহের, মো. রূপন মিয়া, বাদল চন্দ্র রায়, অনন্ত রায়, বিধান দাস, অজয় দাস, সোনা মিয়া সহ আরও অনেকে বলেন, বিদ্যুতের খুঁটিগুলো ছিল সড়কের দক্ষিণ দিকে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এসে হঠাৎ করে খুঁটিগুলো সড়কের উত্তর দিকে স্থাপন করে। পরবর্তীতে ওই খুঁটিতে আর বিদ্যুতের তার ঝুলায় নি।
গ্রাহক বিজিত কুমার রায় বলেন, আমরা বিপদে পড়েছি, বিদ্যুৎ বিভাগে বার বার ধরণা দিয়েও লাভ হচ্ছে না।
গ্রাহক সোনা মিয়া বলেন, মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি আমরা। কোন অঘটন ঘটলে, বিদ্যুৎ বিভাগ দায়ী থাকবে। একই মন্তব্য করেন গ্রাহক মো. রূপন মিয়া।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান বলেন, আমি এক বছর আগে এসেছি। এই বিষয়টি কেউ জানায়নি আমাকে। গ্রাহকরা আবেদন দিলে গুরুত্ব সহকারে ব্যবস্থা নেব।