ধর্মপাশা প্রতিনিধি
তিনি পেশায় বয়াতী। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গাজী-কালুর গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। গান গাওয়ার ছলে বিভিন্ন গ্রামে আসা যাওয়ার সুবাদে উঠতি বয়সের তরুণী, কিশোরীসহ নারীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতেন কৌশলে। তারপর নিয়মিত বিভিন্ন কাজের অজুহাতে যাতায়াত করতেন ওই সকল নারীদের বাড়িতে। পরে সুযোগ পেলেই নিজের অসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করতে বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিতেন। বয়াতীর কথায় ভুলে যে নারী বা কিশোরী তার ফাঁদে পা দিয়েছে তারাই হারিয়েছে সর্বস্ব। সম্প্রতি ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বয়াতী তার ফাঁদে ফেলে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে বসবাস শুরু করলে কিশোরীর বাবা স্থানীয় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে বিষয়টি সামনে আসে।
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানা পুলিশ গত সোমবার রাত ৯টার দিকে রফিক মিয়া নামের এমন লম্পট বয়াতীকে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের দাতিয়াপাড়া থেকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় ওই কিশোরীকেও তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। রফিক কিশোরীকে এলাকায় ছেড়ে দিয়ে কেটে পড়ার চেষ্টা করছিল। রফিক বয়াতী ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়খলা গ্রামের মৃত হেকমত আলীর ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে রফিক মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।‘
মধ্যনগর থানার ওসি নির্মল চন্দ্র দেব বলেন, ‘রফিক আরও অনেকের সাথেই এমন করেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’