- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

চালক শহিদকে রিমাণ্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ

স্টাফ রিপোর্টার
দিরাইয়ে চলন্ত বাসে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত বাসচালক শহিদ মিয়া (২৬) কে তিন দিনের রিমাণ্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার দুপুরে শহিদ মিয়াকে সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের দিরাই জোন এর বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাগীব নূর এর আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আশেক সুজা মামুন জানান, বাস চালক শহিদ মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শহীদ মিয়া সিলেটের জালালবাদ থানার মোগলগাঁও ইউনিয়নের মোল্লারগাঁও গ্রামের তৌফিক মিয়ার ছেলে। গেল শনিবার ভোরে সিআইডি পুলিশ সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্টেশন থেকে তাকে আটক করে। পরদিন রবিবার সিআইডির হেডকোয়ার্টারে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে শহিদ মিয়াকে দিরাই থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে সিআইডি।
এ ঘটনায় এর আগে ২৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে হেলপার রশিদ আহমদকে ছাতকের বুরাইরগাঁও থেকে গ্রেপ্তার করে সিলেটের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হেলপার রশিদ ২৯ ডিসেম্বর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গত ২৬ ডিসেম্বর শনিবার বিকালে সিলেটের লামাকাজী থেকে দিরাইয়ে যাচ্ছিলেন ওই কলেজ ছাত্রী। দিরাই পৌরসভার সুজানগর গ্রামের পাশে এসে যাত্রীবাহী বাসে একা হয়ে যান ওই ছাত্রী। অন্য যাত্রীরা নেমে যায়। এসময় চালক ও সহকারীরা কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সম্ভ্রম বাঁচাতে ওই ছাত্রী চলন্ত বাস থেকেই লাফিয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বাসের চালক শহিদ মিয়া ও হেলপার রশিদ আহমদসহ তিনজনকে আসামী করে দিরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই ছাত্রী সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত তাকে বাবা-মার কাছে দিয়েছেন।

  • [১]