মাহবুবুল হক সালমান
রোজা ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের একটি। অর্থাৎ রোজা রাখা মুসলমানদের জন্য ফরজ। তবে সকল মুসলমানদের জন্য ফরজ নয়। কোরআন-হাদিস এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে ১২ বছরের নীচে কোন ছেলে-মেয়ে, কোন অসুস্থ্য ব্যাক্তি (অনিরাময় যোগ্য কোন রোগ যেমন- ঐওঠ, ক্রণিক ডিজিজ যেমন- ডায়াবেটিস, ঈঙচউ(ক্রনিক রেসপিরেটরী ডিজিজ, এম্পায়েসিমা, হাঁপানী, ব্রঙ্কাইটিস) কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ, ক্রনিক কিডনী ডিজিজ) এবং বয়স্কব্যাক্তির রোজা পালন আবশ্যকীয় নয়। আর মহিলাদের ঋতু চলাকালীন সময়ে, গর্ভবতি এবং মাতৃত্বকালীন সময়ের জন্য রয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা। রোজা রাখা অবস্থায় কোন পানাহার রোজা ভঙ্গ করে, তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে াড টেষ্ট, প্রয়োজনীয় ইনজেক্ শন যা খাদ্যের পরিপূরক নয়, চোখের ড্রপ রোজা ভঙ্গ করেনা। ইসলামী
শরিয়া মোতাবেক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ইনসুলিন গ্রহণ রোজা ভঙ্গ করেনা। তবে ট্যাবলেট ভক্ষণে রোজা ভঙ্গ হয়। আরেক ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যাবহারকে কোন কোন আলেম রোজা ভঙ্গের কারণ হিসাবে আখ্যায়িত করলেও অনেক আলেমগণই বর্তমানে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ইনহ্যালার ব্যবহারকে রোজা ভঙ্গের কারণ থেকে বাদ দিয়েছেন।
সম্প্রতি রোজা রাখার উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে বহু মতবেদ তৈরী হয়েছে। তবে রোজার উপকারিতার পরিবর্তে অপকারিতার প্রচার কাজেই লিপ্ত রয়েছে মানুষরূপী শয়তানগুলো।
তাদের বক্তব্য-মেডিক্যাল ফাস্টিং এবং ইসলামিক ফাস্টিং এক নয়ঃ অবশ্যই এক নয়। ইসলামিক ফাস্টিং এর অণুকরণে মেডিক্যাল ফাস্টিং সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা যারা রোজা রাখতে সমর্থ নয় তাদের জন্য বিশেষ করে অমুসলিমদের জন্য। একজন অমুসলিমের পক্ষে কখনোই একজন মুসলিমের মতো রোজা রাখা সম্ভবপর নয়। কারণ- অমুসলিমের প্রতি আল্লাহর কোন রহমত নেই। মেডিক্যাল রিসার্চারগন অমুসলিমদেরকে ধুমপানের অভ্যাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্ব প্রথম মেডিক্যাল ফাস্টিং এর প্রবর্তন করেন।
এটা মিথ্যে যে, অনেকেই তো রোজা করছেন, তাদের দেখা যাচ্ছে তারা সুস্থই আছেন, তাহলে রোজার আবার কুফল কী?
মুমিন রোজাদারদের কুফল ভোগ করার প্রশ্নই উঠেনা। আর যে কুফলের কথা বলা হয়- দিনের বেলা ফাস্টিং এর ক্ষতি, যা রাতের বেলা পূরণ হয়ে যায়। আর দীর্ঘ মেয়াদী কুফল সেটাতো যে কারোর ক্ষেত্রে যে কোন কারণেই হতে পারে।
মেডিক্যাল ফাস্টিং শরীরের জন্য বিশেষ বিশেষ কন্ডিশনে উপকারী কিন্তু ইসলামিক ফাস্টিং উপকারী নয়।
এটার উত্তর প্রথম প্রশ্নেই দেওয়া হয়ে গেছে। ইসলামিক ফাস্টিং শুধুমাত্র মুমিন বান্দাদের জন্য আর মেডিক্যাল ফাস্টিং অমুসলিমদের জন্য। আলাদা কন্ডিশনে আলাদা ফরমেটেই এই দুই ফাস্টিং এর সৃষ্টি।
রোজা রাখতে বয়োবৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে নিষেধ বা সতর্কতার সাথে রাখতে বলা হয় কেন ?
কোন বয়স্ক মুমিন মুসলিম গুণ পোকায় খাওয়া অসুস্থ রোগী এটা কোন মেডিক্যাল রিসার্চার প্রমাণ করতে পারেন নি। এই কন্ডিশনে সতর্কতার সাথে রোজা রাখার নির্দেশ এসেছে কোরআন-হাদিস থেকে। কারণ- প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অসুস্থ হলে চিকিৎসা নেওয়া সুন্নত। চিকিৎসার স্বার্থেই এই সাবধানতা।
এবার আসুন আমরা চিকিৎসা বিজ্ঞান দিয়ে বিচার বিশ্লেষন করে দেখি রোজার উপকারী এবং ক্ষতিকারক দিকগুলো।
প্রকৃত মুমিনগণ, যারা কোরআন হাদিসের আলোকে, বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে রমজান মাসে পুরু একমাস রোজা রাখেন, তারা নিম্নলিখিত উপকারগুলো পেয়ে থাকেন। কিন্তু যারা রমজান এলেই রোজার নামে অতিভোজন শুরু করেন, আবোল-তাবোল খাবার খেতে শুরু করেন, তারা মৃত্যুকে তড়াম্বিত করেন মাত্র। পবিত্র কোরআনেও এ সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ আছে- “যারা কোরআন হাদিস মোতাবেক রোজা পালন করল না তারা শুধু উপোসই করলো।”
রোজা ফ্যাট বা কোলেস্টেরল কমায়, এজিং প্রসেস ব্যহত করেঃ
রোজা শরীরের ডিটক্সিফিকেশন করে ও ইম্যুনিটি বৃদ্ধি করে,
রোজা হজমতন্ত্রের এসিড নিঃসরণ কমায়,
রোজা কিডনী স্টোন হওয়ার ঝুঁকি কমায়,
নন ইনসুলিন ডিপেন্ডেন্ট ডায়াবেটিস কমায়,
হার্ট আর্টারি প্রেশার এবং লিভার আর্টারি প্রেশার কমায়,
হার্ট ডিজিজ, এজমা, আর্থরাইটিস, লুপাস , ডাইজেস্টিভ ডিজঅর্ডার
এগুলো কারোর মূখের কথা নয়। আধুনিক মেডিক্যাল সাইন্স ধারা প্রমাণিত। ১৯৯৪ সালে মরোক্কোর ক্যাসাবলাঙ্কায় আন্তর্জাতিক কন্ফারেন্স অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সারা বিশ্ব থেকে বহু মুসলিম ও নন-মুসলিম মেডিক্যাল রিসার্চারগণ উপস্থিত হন। সেখানে ৫০টি রিসার্চ পেপার উপস্থাপন করা হয়। আর রমজানে রোজার এই বেনিফিটগুলোকে সমর্থন করা হয়।
শুধু তাই নয়, জর্ডানের আম্মান ইউনিভারসিটি হসপিটালের ডাঃ সোলেমন ১৯৮৪ সালে রমজানের পুরু একমাস ১৫-৬৪ বছর বয়সের ৪২ জন পুরুষ এবং ১৬-২৮ বছর বয়সের ২৬ জন মহিলার মধ্যে পরীক্ষামূলক গবেষণা চালিয়ে এই উপকারিতা গুলোর প্রমাণ পান।
সৌদি মেডিক্যাল জার্নালে একদল রিসার্চার ২০০৩ সালে গবেষণা করে এই উপকারিতার সত্যতা প্রমাণ করেছেন।
আরো আছে, আমেরিকার ওয়েষ্ট ভার্জিনিয়া ইনিভারসিটি, বাংলাদেশের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ, সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ও ঢাকার মহাখালীর ইনস্টিটউট অব পাবলিক হেল্থ এন্ড নিউট্রিশন যৌথ এক গবেষনায় এই বিষয়গুলোর সত্যতা প্রমাণ করেন।
অথচ মানুষরূপী কিছু শয়তান এই সত্যগুলোকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য কিছু অবান্তর ওয়েবসাইটের উদ্ধৃতি দিয়ে থাকে যে ওয়েবসাইটগুলোর আসলে কোন মেডিক্যাল ভিত্তি নেই। কোন মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটউটের ওয়েবসাইটও এগুলো নয়। কোন মোনাফেক মনগড়া কিছু যুক্তি দিয়ে অবান্তর কিছু ওযেবসাইটের উদ্ধৃতি দিলেই মেডিক্যাল রিসার্চে প্রমাণিত সত্যটা মিথ্যে হয়ে যায়না।
ঐ শয়তানগুলো সাধারণ যে যে ক্ষতিকারক দিকগুলো প্রচার করে মুসলিম ভাইদেরকে বিভ্রান্ত করছে সেগুলো নিম্নরূপ-
রোজার ক্ষতিকারক দিক গুলো হচ্ছে-
** পানি শূন্যতা
পানি শূন্যতার কুফলগুলো নিম্নরূপ-
১) হৃদস্পন্দনের উচ্চহার
২) ক্লান্তি
৩) অস্থিরতাবোধ
৪) কিডনীতে পাথর
৫) বমিভাব
৬) ইউরিক অ্যাসিড আধিক্য এবং ক্লিয়ারেন্স না হওয়া
৭) গাউট
৮) হেমাটোক্রিট, সেরাম প্রোটিন, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিনের আধিক্য
৯) ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা
১০) গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব এবং ডিফিক্যাল্ট ইউরিনেশন ।
অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে উল্লেখ করা হয়-
১) ইরিটেবিলিটি এবং মুড সুইয়িং
২) উদ্বিগ্নতা এবং রেস্টলেসনেস
৩) বডি ও জয়েন্ট পেইন
৪) ইরেগুলার মেন্সট্রুয়েশন এবং স্পটিং
৫) সাইনাস প্রেশার এবং ন্যাজাল ডিসচার্জ
৬) ডায়রিয়া
৭) ডিপ্রেশন ও স্যাডনেস
৮) ঘেমে যাওয়া
৯) মাসল সোর
১০) ফ্লু লাইক সিন্ড্রোম
১১) মাথা ঘোরা ও মূর্ছা যাওয়া
১২) অ্যাবডোমিনাল ফুলনেস বা পেট ফাঁপা এবং ফ্ল্যাটুলেন্স বা পায়ুপথ দিয়ে অত্যাধিক বায়ু নিঃসরণ
১৩) বেলচিং
১৪) কোষ্ঠকাঠিন্য
১৫) কুইন্সিস
১৬) রেনাল ক্লিচ
১৭) স্পাইনাল পেইন
১৮) মাসল পেইন
১৯) ঠান্ডা জনিত সমস্যা
২০) গায়ে দুর্গন্ধ ( দিনের বেলায় গোসল না করা এবং পানিশূন্যতার কারণে) ।
(গোসল না করা কোন ইসলামী বিধান নয়। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ)
এগুলো আসলে কোন সমস্যাই নয়। এই সমস্যা শুধু রোজা রাখলেই হবে আর অন্য কারোর হবেনা এর কোন মেডিক্যাল ভিত্তি নাই। যে কারোরই এই সমস্যাগুলো হতে পারে, তার অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে। তাছাড়া, রোজা রাখলে এই সমস্যাগুলো হতে পারে বলে যে ওয়েবসাইটের উল্লেখ করা হয়ে থাকে, সেগুলো কোন মেডিক্যাল ওয়েবসাইট নয় এবং কোন রিসার্চের রিসাল্ট নয়। তদুপরি ঐ ওয়েবসাইটগুলোতেই এই সমস্যাগুলো থেকে কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সে কথাগুলোও উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ধুরন্ধর অপপ্রচারকারীরা সেই পরিত্রানের বিষয়গুলো তুলে না ধরে, শুধু ক্ষতিকারক দিকগুলোকেই হাইলাইট করার চেষ্টা করেন।
পানি শূন্যতা ও এর ফলে সৃষ্ট সমস্যাগুলো থেকে খুব সহজেই পরিত্রান পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে:
অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ কোরআন, হাদিস তথা বিজ্ঞান কোনটাই সমর্থন করেনা। সুর্যাস্ত থেকে সুর্যোদয় পর্যন্ত খাওয়ার সময়। এই সময় টুকুতে একটু হিসাব করে খেলেই সকল সমস্যা দূর করা সম্ভব। ইফতারের সময় ফলফ্রুট ও পানীয় জাতীয় খাবার দিয়ে ইফতার করলে অসুস্থতার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ইসলামের বিধানে তাই উল্লেখ আছে। বাংলাদেশে তৈরী বাহারী ইফতার আইটেমের কথা কোন হাদিস কোরআনে উল্লেখ নাই। তাই রমজানের মহত্ব পেতে হলে আমাদের লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করতে হবে সবার আগে। পরিমিত সুষম খাবার প্রত্যেককে সম্পূর্ণরূপে স্বাস্থ্যবান রাখবে পুরো রমজান মাস। যদিও আমাদের সমাজে কিছু মাওলানা হাদিসের অপব্যাখ্যা দিয়ে বলেন আল্লাহ এই রমজান মাসে খাওয়ার কোন হিসাব নিবেন না। তার অর্থ এই নয় যে যা খুশি তাই খেতে হবে। এটা তারা তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে।
১। রমজানে খাওয়ার সময় পাওয়া যায় খুবই অল্প ঐ সময়টুকুতেই ইফতারের পর এবং ঘুমানোর পূর্বে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। তাহলে পানি শূন্যতা দূর হয়ে যাবে, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা রক্ষা পাবে, প্রশ্রাবের সমস্যা হবে না এবং রোজার ফলে পরিপাকতন্ত্রের ডিটক্সিফিকেশন দূর হবে।
২। খাবারের সাথে অধিক পরিমানে শাক-সব্জি খেতে হবে। ফলে, স্থুলতা, কোষ্টকাঠিন্য, রেনাল ক্লিঞ্চ ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
৩। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন- চা, কফি, কোকা-কোলা জাতীয় পানীয় ইত্যাদি যথা সম্ভব পরিহার করতে হবে। কারণ ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার প্রশ্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে অতিরিক্ত প্রশ্রাবের কারণে দিনের বেলা শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে মাথা ব্যাথা, ইরিটেবিলিটি, মুড সুয়িইং ইথ্যাদি সমস্যা হবে না।
৪। সরাসরি চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার, মিষ্টি, পরিহার করতে হবে।
৫। ভাজা-পোড়া ও অতিরিক্ত ঝালযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
৬। ধুমপান পরিহার করতে হবে। ধুমপান চীরতরে পরিহার করার মোক্ষম সুযোগ এই রোজায়।
৭। ইফতারে হযরত মুহম্মদ (সাঃ) খেজুর ও পানি খেতেন। অতিভোজন করতেন না। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, চিনি, কার্বোহাইড্রেড, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম যা খুব দ্রুত খাদ্য ঘাটতি পূরণ করে।
৮। আঁশযুক্ত খাবার, গমের রুটি, ভাত, শাক-সবজি, ফলমূল গ্যাস্ট্রিক-এসিডিটি কমিয়ে আনে, এই ধরণে খাবার এসিড নিঃস্বরণ কমাতে সহায়তা করে।
৯। পরিমিত ব্যায়াম(দিনের বেলায় নয়), হাটাচলা, ইবাদত আমাদেরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।
সর্বোপরি লেখার প্রথম দিকে উল্লেখিত খাবারের তালিকা অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
প্রকৃত মুমিনদের কখনো ঘুমের সমস্যা হয়না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান থাকেন। রোগ ব্যাধি অনেক কম থাকে। ইতিহাস তারই স্বাক্ষ্য দেয়। আর রমজানে কম ঘুমিয়ে বেশি ইবাদত করার নির্দেশই রয়েছে কোরআন-হাদিসে।
প্রকৃত রোজাদার কখনো দিনের বেলা ঘুমায়না। কারণ কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী দিনের বেলা ঘুমানোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দিনের বেলা ঘুম রোজা ভঙ্গের কারণ সৃষ্টি করে।
আল্লাহ আমাদের সকলকে মানুষরূপী এই শয়তান কথা দ্বারা বিভ্রান্ত হয়া থেকে রক্ষা করুন। আমীন
সুত্র : সুন্নাত ও আধুনিক বিজ্ঞান, বিভিন্ন ইসলামিক ওয়েব সাইট।
লেখক : সম্পাদক মাসিক নবীনকুঁড়ি
মোবাইল : ০১৭১৫-২৭৪৩৫৭