স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের ছমেদনগর গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম, সমুজ আলী, বাহার উদ্দিন ও আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে এলাকায় গাঁজার আসর, অসামাজিতা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকার লোকজনদের হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে।
এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সোমবার বিকালে শহরের উকিলপাড়ার প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ছমেদনগর গ্রামের বাসিন্দা ও হিলফুল ফুজুল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছমেদনগর গ্রামের বাসিন্দা রঙ্গারচর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রশিদ বলেন, ‘ছমেদনগর গ্রামের কথিত বাউল শিল্পী নামধারী আব্দুল কাইয়ুম, সমুজ আলী, বাহার উদ্দিন গাঁজাখোর। তারা গ্রামে মদ-গাঁজার আসরসহ নানা অসামাজিকতা করে আসছে। এসব কাজের মদদদাতা গ্রামের আব্দুল মালেক। তাদের অসামাজিকতার প্রতিবাদ করলে নিরীহ লোকদের
হুমকি-ধামকি দিয়ে জিম্মি করে রাখা হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হিলফুল ফুজুল’এর নেতৃবৃন্দসহ গ্রামবাসী তাদের মদ-গাঁজার আসরের প্রতিবাদ করায় গ্রামবাসীকৈ হয়রানীর জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন আব্দুল কাইয়ুম। ’
সাংবাদিক সম্মেলনে দুস্কৃতিকারী আব্দুল মালেক, আব্দুল কাইয়ুম, সমুজ আলী, বাহার উদ্দিনকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
তবে সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে ছমেদনগর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন,‘ আমি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, বর্তমানে গ্রামের মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। আমি নামাজি মানুষ, এসব ঘটনার সাথে জড়িত নই। অহেতুক মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।’
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রঙ্গারচর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বাবুল, ৭,৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যা জাহারা বেগম, হিলফুল ফুজুল সংগঠনের হিলফুল ফুজুল সংগঠনের সভাপতি মাও. শিহাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাও. জুলহাস, গ্রামের বাসিন্দা আসবর আলী, আব্দুর রশিদ, মো. খোকন মিয়া প্রমুখ।