- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

ছাতক পৌরসভার কাউন্সিলর লিয়াকত আলী জামিনে মুক্ত

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতক পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের টানা ২ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর লিয়াকত আলী দীর্ঘ কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। ২০ মে হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গির হোসেনের একটি বেঞ্চ থেকে তিনি জামিন লাভ করেন। ২৮ মে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ জেলখানা থেকে তিনি মুক্তিলাভ করেন তিনি।
জামিনে মুক্ত হওয়ার সময় উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি দেলওয়ার মাহমুদ জুয়েল বক্সসহ বিপুল পরিমান সমর্থক, স্বজন ও দলীয় নেতা-কর্মী জেল গেটে উপস্থিত ছিলেন।
পৌর কাউন্সিল লিয়াকত আলী শহরের নোয়ারাই এলাকার বাসিন্দা, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা। জামিনে মুক্ত হয়ে পৌর কাউন্সিলর লিয়াতক আলী নোয়ারাই এলাকার নিজ বাড়িতে পৌছলে তার কর্মী সমর্থকসহ এলাকার মানুষ একটু সৌজন্য সাক্ষাত করতে ভিড় জমায়।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই রাতে ছাতক সিমেন্ট কারখানা ৪নং এলাকায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হয় নোয়ারাই এলাকার আলমগীর হেসেনের পুত্র মেহেদী হাসান রাব্বী। এ ঘটনায় ২৬ জুলাই নিহতের মা রুপীয়া বেগম বাদী হয়ে পৌর কাউন্সিলর লিয়াতক আলীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-১৯) দায়ের করেন। একই সালের ৯ সেপ্টেম্বর পৌর কাউন্সিলর লিয়াতক আলী সুনামগঞ্জে জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
চলতি বছরের ২০ মে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন পৌর কাউন্সিলর লিয়াকত আলী। দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস কারাভোগের পর ২৮ মে সুনামগঞ্জ জেলখানা থেকে তিনি জামিনে মুক্ত হন।
পৌর কাউন্সিলর লিয়াতক আলী জানান, অনাকাংখিত একটি হত্যাকান্ডের ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না। দু’বন্ধুর বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে রাব্বী নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন মোবাইল ফোনে তাকে জানিয়েছে। এ হত্যাকান্ড নিয়ে তিনি ওই সময় দুঃখ ও ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। কিন্তু ঘটনার ৩দিন পর ২৬ জুলাই রাব্বী হত্যা মামলায় তাকে আসামী করা হয়েছে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন। শুধু জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে তাকে এ হত্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। বিনা অপরাধে তিনি প্রায় ৯ মাস কারাভোগ করেছেন বলেও তিনি জানান।

  • [১]