জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে একটি মামলার তদন্তে গিয়ে এক ব্যক্তিকে মারধর করার অভিযোগে এলাকাবাসীর কাছে ৩০ মিনিট অবরুদ্ধ থাকার পর ক্ষমা চেয়ে মুক্ত হয়েছেন জগন্নাথপুর থানার এক এএসআই শিপলু মজুমদার। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, ইসলামপুর গ্রামের চেরাগ আলী বাদী হয়ে একই গ্রামের সুন্দর আলীর বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় মালিকানা জায়গা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এ ঘটনায় জগন্নাথপুর থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক এএসআই শিপলু মজুমদার ও কনস্টেবল ফরহাদ আহমেদ তদন্তে যান। এসময় তিনি অভিযুক্ত সুন্দর আলীর খোঁজ করতে থাকেন। সুন্দর আলী ঘর থেকে বের হলে পুলিশ কর্মকর্তা সুন্দর আলীর ভাই নজির মিয়ার ঘরে মুঠোফোনে বাজানো গান বন্ধ করতে বলেন। এতে বিলম্ব হওয়ায় নজির মিয়া কে ঘর থেকে ডেকে মারধর শুরু করেন। অন্যায়ভাবে নজির মিয়া কে মারধর করায় প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজন পুলিশ সদস্যদেরকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ কর্মকর্তা ক্ষমা প্রার্থী হলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
সুন্দর আলী বলেন, এক মাস আগে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আপোষে নিস্পত্তি করে দেন। তিনি তদন্তে গিয়ে আমার ভাই কে অন্যায়ভাবে মারধর করেন, এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন তাদের কে আটক করে। পরে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান এবং চিকিৎসার জন্য এক হাজার টাকা দিয়ে আসেন। তিনি বলেন তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে একজন পুলিশ সদস্য ছিলেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত এএসআই শিপলু মজুমদার বলেন, অবরুদ্ধের মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। আমরা সাথে থাকা
কনস্টেবলের সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি।