- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

জগন্নাথপুরে মামা ভাগ্নে কারাগারে

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুরে থানার সামনের সড়ক দিয়ে নিষিদ্ধ ভারতীয় বিড়ির চালান নিয়ে যাওয়ার সময় আটককৃত দুইজনকে শুক্রবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে আটক দুই ব্যক্তি পুলিশের নিকট ভুয়া পরিচয় দেয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, পুলিশ জেনে যায় তাদের আসল পরিচয়।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবনগর এলাকায় অস্থায়ী জগন্নাথপুর থানা ভবনের সামনের জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ-আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে একটি প্রাইভেটকারে করে (যার নং ঢা-মেট্রো-গ-১১-৯১৪১) বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নাসির বিড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ীসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।
আটককৃতরা তাদের নাম যথাক্রমে ইমন মিয়া (৩০) ও ফজলুর রহমান (২৮) বলে পুলিশকে জানায়। এরমধ্যে ইমন মিয়া সিলেটের ওসমানীনগর থানার সিকন্দরপুর গ্রামের মতৃ মতিন মিয়ার ছেলে এবং ফজলুর রহমান বালাগঞ্জের ইলাশপুর গ্রামের মৃত আজাদ মিয়ার ছেলে পরিচয় দেয় পুলিশকে।
এছাড়া তারা পুলিশকে জানায়, ওসমানিনগর
থেকে জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ বাজারের উদ্দ্যেশ্যে ভারতীয় বিড়ির চালান নিয়ে যাচ্ছিল। ওই দিন রাতে পুলিশ জানতে পারে, আটক দুব্যক্তি জগন্নাথপুর উপজেলা আশারকান্দি ইউনিয়নের কাঠাঁলখাই গ্রামের। ইমন মিয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তি হলেন কাঠাঁলখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মুতলিব মিয়ার ছেলে মুক্তাকীন মিয়া আর ফজলুর রহমানের আসল নাম হলো সাজ্জাদুর রহমান। তিনিও কাঠাঁলখাই গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম আসাদ মিয়া। আটক দুইজন সর্ম্পকে মামা-ভাগ্নে।
স্থানীয় এলাকাবাসি জানান, মুক্তাকীন মিয়া ও সাজ্জাদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ওসমানিনগরসহ সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারতীয় নাসির বিড়ি ও মাদক ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। গত ১১ জুলাই ওসমানিনগর থানা পুলিশ নিষিদ্ধ ভারতীয় বিড়ির চালানসহ মুক্তাকীন মিয়ার ভাই আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদকে গোয়ালাবাজারের করনসী এলাকা থেকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।
জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শন (এসআই) মনির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আমাদের থানা রোড দিয়ে নিষিদ্ধ বিড়ির চালান নিয়ে যাওয়ার সময় আমরা একটি প্রাইভেট কারসহ দুইজনকে আটক করি। আটককৃতরা প্রথমে ভুয়া পরিচয় দেয়। পরে স্থানীয়দের সূত্রে আমরা তাদের আসন পরিচয় শনাক্ত করেছি।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যপারে থানায় মামলা হয়েছে।

  • [১]