- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

জগন্নাথপুরে মাস্ক ছাড়াই অবাধে চলাফেরা, বাড়ছে ঝুঁকি

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর উপজেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলেও অধিকাংশ মানুষ বাহিরে মাস্ক ছাড়াই অবাধে চলাফেরা করছেন। ফলে করোনার ঝুঁকির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত রবিবার দুপুরে জগন্নাথপুরের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে জগন্নাথপুর পৌর শহরের সদরের জগন্নাথপুর বাজারের বিভিন্ন স্থানে স্থানে বেশিরভাগ মানুষকে দেখা গেছে মাস্কহীন অবস্থায়। মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। উপচেপড়া ভিড়ের মধ্যে গা ঘেঁষে চলাচল করছেন জনসাধারণ। করোনায় ভয়াবহতার ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি কিংবা শারীরিক দূরত্ব মানছেন না কেউ। নির্বিঘেœ চলাচল করছেন মানুষজন।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের পৌর পয়েন্ট, মুক্তিযোদ্ধা মোড়, সবজি বাজার, মাছ বাজার, নৌকাঘাট ইকড়ছই মাদ্রাসা পয়েন্ট থেকে ইকড়ছই আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ সাবস্টেশন এলাকা পর্যন্ত
মানুষের প্রচন্ড ভিড় লেগেই আছে। এ এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচ- ভিড় লেগে থাকে।
এছাড়াও রানীগঞ্জ রোড, জগন্নাথপুর-সিলেট বাসস্ট্যান্ড, সুনামগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, চায়ের স্টলগুলোতে লোক সমাগম রয়েছে। মানা হচ্ছে শারীরিক দূরত্ব। এমনকি স্বাস্থ্যবিধিও উপেক্ষিত।
গত ঈদবাজারে নারী পুরুষসহ সব বয়সী মানুষের ঢল ছিল পৌরশহরে। ঈদের পরই পৌরশহরসহ উপজেলায় ১১ জন করোনায় আক্রান্ত হন। দিনদিনই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। কিন্তুু মানুষের মধ্যে সচেতনতা নেই বললেই চলে। জনসাধারণকে ঘরমুখী করতে এবং শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণে প্রথমদিকে প্রশাসনিক ব্যাপক তৎপরতা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে কমে গেছে তৎপরতা।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধু সুদন ধর বলেন, করোনা সংক্রমণ এড়াতে ঝুঁকির মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মীরা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পুলিশ প্রশাসন নিরলসভাবে দিনরাত করোনা পরিস্থিতিতে কাজ করছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণসহ মানুষকে সচেতন করতে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • [১]