জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরের রসুলগঞ্জ বাজারে ৩ গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন ১৫ জন ব্যক্তি। রোববার দুপুর ১টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ৮-৯টি দোকানপাট ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজারে গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১টার দিকে সালিশ
বৈঠক বসে। ওই বৈঠকে সামাট গ্রামের আতাউর রহমান (তিনি বর্তমান পশ্চিম রসুলগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা) ও মইজপুর গ্রামের মাসুক মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে চেয়ার ছুড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে সামাট, কামিনীপুর ও মইজপুর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংর্ঘষে লিপ্ত হয়। প্রায় ঘন্টাব্যাপি সংর্ঘষে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত আনোয়ার মিয়া (৩৫) ও তাজুল ইসলাম (৩৭) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আহত হীরা মিয়া (৩৫), শহিদুল ইসলাম (৩৮), সিরাজ মিয়া (৩৯), আক্কল আলী (৪৭) কে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অপরাপর আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সংর্ঘষ চলাকালে বাজারের ৮/৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সামাট গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হিরা মিয়া জানান, সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষ থামাতে গেলে মাসুক মিয়ার পক্ষের লোকজন আমাকে মারধর করেছে। চিকিৎসার জন্য আমি স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছি।
ঘটনাস্থল পরির্দশনকারী জগন্নাথপুর থানার এসআই আবুল হোসেন জানান, চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালিক বৈঠকে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।
জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছে। এব্যাপারে থানায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি।