আশরাফ আহমদ
অশ্রু নয়, ছুড়ে ফেলা জলস্রোতে
সমস্ত সম্ভাব্য আলো সূতিকাগারেই শেষ !
উদাসীনতার পালে হাওয়া দিয়ে
ভাসাতে চাইলে যে রাজার বজরা,
তাতেই ডুবল এক সাঁতার না-জানা ছেলে।
সর্বগ্রাসী নষ্ট খেলার টানে, অগভীর জলে
সামান্য নাবিকও হলো পথভ্রষ্ট !
মহানুভবতার ভুলে সামান্য পিঁপড়াকেও যদি
ফেলে থাকো উপেক্ষার জলে,
বিশাল সাইলোতে তবে
কে আর সঞ্চয় রাখে, দানাপানি ?
কলার ভেলায় ভাসছি, কাদা-নোনাজলে।
আড়ালে আন্ধারে খালি ভাসলাম তৃষ্ণা নিয়ে,
নতমুখে গলিতে গলিতে —
লুকোতে পারলাম কই, তৃষ্ণাকে ?
সুন্দরে পরাভূত মড়াও এখন যদি
ভুলে ঘাটে ভিড়ে,
ক্ষীণকণ্ঠে প্রশ্ন করে — এ বাড়ি আমার ?
অট্টহাসির শেষে ক্লান্ত নারীর কণ্ঠ
প্রতিধ্বনিত হবে মহাদূর থেকে— কে রে তুই ?
উঠে দাঁড়ানোর আর সময় হলো না শেষে,
জল আর বাষ্প হলো না,
জীবন হলো না,
এমনকি অশ্রুও না –।