- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

জামানত হারালেন ২৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
দিরাই উপজেলার ৯ ইউপি নির্বাচনে জামানত হারাচ্ছেন ২৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী। অর্থাৎ উপজেলায় প্রায় ৪৩.৩৯ বা প্রায় ৪৪ শতাংশ প্রার্থীই জামানত হারাবেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থী কাস্টিং ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। নির্বাচন কমিশনের এই বিধি অনুযায়ী এই চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জামানত হারাতে যাচ্ছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন।
৪র্থ ধাপে দিরাই উপজেলায় ৫৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি জামানত হারাবেন কুলঞ্জ ও জগদল ইউনিয়নে, ৪ জন করে। এদিকে ৯ ইউনিয়নের মধ্যে কুলঞ্জ, ভাটিপাড়া ও দিরাই সরমঙ্গল ইউনিয়নে জামানত হারাচ্ছেন আওয়াম ীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী।
করিমপুর ইউনিয়নে জামানত হারাবেন ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী তপু দাস (ঢোল) প্রতীকে পেয়েছেন ১২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আতাউর রহমান বাদশা (ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছেন ১১১০ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রাথী মো. সিজিল মিয়া মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬২ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৮ হাজার ৮৯৮ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১৩ হাজার ৮৫০ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৪৬ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ২০৪। জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের ১ হাজার ৭৩২ ভোট পেতে হতো।
তাড়ল ইউনিয়নে জামানত হারাবেন ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল হক তালুকদার (ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. লাল মিয়া (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন ৫০৭ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৫ হাজার ১৫৫ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১১ হাজার ১১৯ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোট ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৮৭ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ২৩২। নিয়ম অনুযায়ী ১ হাজার ৩৯০ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারাবেন তারা।
কুলঞ্জ ইউনিয়নে জামানত হারাবেন ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সালেহ (অটোরিক্সা) প্রতীকে পেয়েছেন ১৯৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী চাঁন মিয়া চৌধুরী (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনহার মিয়া (টেলিফোন) প্রতীকে পেয়েছেন ১০১২ ভোট এবং আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মিলন মিয়া (নৌকা) প্রতীকে পেয়েছেন ১৭৮১ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ২১ হাজার ২৯৪ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১৫ হাজার ৫৯৩ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১৫ হাজার ১৯৫ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ৩৯৮। জামানতের জন্য ১ হাজার ৯৫০ ভোট পাওয়া প্রয়োজন ছিল তাদের।
রাজানগর ইউনিয়নে জামানত হারাতে যাচ্ছেন ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রুনু মিয়া সর্দার (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.রানা মিয়া (অটোরিক্সা) প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫৭ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১২ হাজার ৭৬৯ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১২ হাজার ৪৬১ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ৩০৮। জামানতের জন্য ১ হাজার ৫৯৭ ভোট পাওয়া প্রয়োজন ছিল তাদের।
ভাটিপাড়া ইউনিয়নে জামানত হারাতে যাচ্ছেন ১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান চৌধুরী পেয়েছেন ১২৭১ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৪ হাজার ৯৭০ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১১ হাজার ২২০ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১১ হাজার ৬৯ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ১৫১। জামানতের জন্য ১ হাজার ৪০৩ ভোট পেতে হতো।
জগদল ইউনিয়নে জামানত হারাতে যাচ্ছেন ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হক আরকান (মাটর সাইকেল) প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী তোফায়েল আহমদ (চশমা) প্রতীকে পেয়েছেন ১৩৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. জহিরুল ইসলাম (হাতপাখা) প্রতীকে পেয়েছেন ১৪৭ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল বাছিত (ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছেন ১৪৬০ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ২১ হাজার ৭৬৪ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১৫ হাজার ১৩৬ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১৪ হাজার ৮৯০ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ২৪৬। জামানতের জন্য ১ হাজার ৮৯২ ভোট পেতে হতো।
দিরাই সরমঙ্গল ইউনিয়নে জামানত হারাতে যাচ্ছেন ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর কৃষ্ণ কান্ত রায় (মশাল) প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী তপন কান্তি তালুকদার (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন ১০৬১ ভোট এবং আওয়াম ীলীগ মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী রঞ্জিত রায় পেয়েছেন ১০১৪ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১১ হাজার ৪৯৫ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৮ হাজার ৯২১ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৮ হাজার ৬৬২ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ২৫৯। জামানতের জন্য ১ হাজার ১১৬ ভোট পেতে হতো।
রফিনগর ইউনিয়নে জামানত হারাতে যাচ্ছেন ১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আতিকুর রহমান (মোটরসাইকেল) প্রতীকে পেয়েছেন ১২১ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৭ হাজার ৭৪৮ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১৩ হাজার ২০৭ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১২ হাজার ৯৪৩ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ২৬৪। জামানতের জন্য ১ হাজার ৬৫১ ভোট পেতে হতো।
চরনারচর ইউনিয়নে জামানত হারাতে যাচ্ছেন ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। স্বতন্ত্র তুরাব আলী (ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী রকনুজ্জামান জহুরী (চশমা) প্রতীকে পেয়েছেন ৬১৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র সামছুল আলম তালুকদার (মোটরসাইকেল) প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮৭ ভোট। এই ইউনিয়নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১৩ হাজার ৮১৪ জন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা হাজার ১৩ হাজার ৫৮২ এবং বাতিল ভোটের ২৩২ সংখ্যা। জামানতের জন্য হাজার ১৭২৭ ভোট পেতে হতো।

  • [১]