জামালগঞ্জ অফিস
জামালগঞ্জে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতি করে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরী কন্যা বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সে জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা।
গত রবিবার নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ তেতুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও
গ্রামের জ্ঞানেন্দ্র চন্দ্র করের ছেলে সুকান্ত করের সাথে বিয়ের আয়োজন চলছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পালের প্রচেষ্ঠায় বাল্যবিবাহ রোধ করা হয়।
জানা যায়, ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর তৎকালীন চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরে জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছিল মেয়েটির। সেখানে জন্ম তারিখ ১২ নভেম্বর ২০০২ উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে জালিয়াতির মাধ্যমে একই জন্ম নিবন্ধন (২০০২৯০১৫০৬৭০০২৭৭৪) নম্বর ঠিক রেখে, চলতি বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার ও ইউপি সচিব মো. নূরুল আমীন স্বাক্ষরিত ফের জন্ম সনদ প্রদান করা হয়। সেখানে পূর্ববর্তী জন্ম তারিখ পাল্টে ২ জানুয়ারি ২০০২ লেখা হয়েছে। বর্তমান ও পূর্ববর্তী জন্ম সনদে প্রায় ১১ মাসের গড়মিল পাওয়া গেছে।
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিরেশ দে বলেন, জন্ম সনদের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। আমি জানলে এটা করতে দিতাম না।
জামালগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার জানান, আমার ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধনের রেজিস্টার্ড অনুযায়ী আমি সনদ দিয়েছি। আগের জন্ম নিবন্ধন তারা কোথা থেকে কিভাবে পাইছে সে ব্যাপারে আমি অবগত নই।’