জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
জামালগঞ্জ উপজেলায় দেওথান বিলে বিল নার্সারী করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সহায়তায় ও পরামর্শে নিজস্ব উদ্যোগে বিল নার্সারী স্থাপন করেছেন ইজারাদার মো. ওয়াসীম চৌধুরী।
বিলে উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে দেড় কেজি রুই, কাতলা, ঘনিয়া, কালিবাউস, কার্ফু মাছের রেনু মজুদ করা হয়েছে। খাবার হিসাবে খৈল আটা ও নার্সারী ফিড দেওয়া হয়। বিলের মাঝে সাইনবোর্ড নেটজাল ও বাঁশ দিয়ে বিল নার্সারীটিকে ঘিরে রাখা হয়। একমাস পর পর নমুনায়ন করা হবে। নমুনায়নে সব ধরনের পোনার সমাহার বৃদ্ধি লক্ষ করা যাবে। দুই মাস পর মাছের চূড়ান্ত নমুনায়ন করে বিলের মাঝে অবমুক্ত করে দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে মো. ওয়াসীম চৌধুরী বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পরামর্শ ও সহযোগিতায় দেওথান বিলে বিল নার্সারী করা হয়েছে। গত বছর বিল নার্সারী করে আমি অনেক লাভবান হয়েছি। আসা করি এবারও লাভবান হবো। আমার মত অন্যরাও বিল নার্সারী ব্যবস্থা করলে লাভবান হবে আশা করি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনন্দা রাণী মোদক বলেন, দেওথান বিলের ইজারাদার ওয়াসীম চৌধুরী প্রতিবছর উপজেলা মৎস্য অফিস ও তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিলে নার্সারী জায়গা তৈরি করে রেনু মজুদ ও সঠিক নিয়মে খাদ্য মজুদ করে আসছে। যার কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশী মাছ উৎপাদন হয়। গতবছর এডিপির অর্থায়নে ধলাপাকনা বিলে এবং রাজস্ব খাতের অর্থায়নে দেওথান বিলে রেনু মজুদ করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা সকল ইজারাদারগন যদি বিল নার্সারী পদ্ধতি ব্যবহার করে রেনু পোনা চাষ করে তাহলে নিজেরাও লাভবান হবে পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।