স্টাফ রিপোর্টার
জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সমৃদ্ধ পাঠাগারটির বর্তমান অব্যবস্থাপনা ও হতশ্রী অবস্থা নিয়ে প্রাক্তন ও বর্তমান জুবিলীয়ানদের মনে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। কিছু দিন আগে জুবিলীর প্রাক্তন শিক্ষক ও ছাত্র কল্লোল তালুকদার চপল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে একটি পোস্ট দিলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়। বহু প্রাক্তন জুবিলীয়ান ও শিক্ষানুরাগী লোকজন ওই পোস্টে কমেন্ট করে পাঠাগারের দুরবস্থা কাটিয়ে উঠে সমৃদ্ধ এই পাঠাগারটিকে জ্ঞান বিস্তারের উপযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেন।
পাঠাগারটির বেহাল দশা কাটিয়ে উঠতে সম্প্রতি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গত ১৮ এপ্রিল ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি নীরিক্ষা দল গঠন করে দিয়েছেন। নীরিক্ষা দলকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন তহবিল ও স্টক নীরিক্ষা করে ১৫ দিনের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পাঠাগারের বেহাল অবস্থা কাটানোর জন্য উৎসাহী প্রাক্তন জুবিলীয়নরা মনে করেন এই কমিটি লাইব্রেরির সমস্ত বইয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করবেন। তারা খোয়া যাওয়া বই ও বর্তমানে রক্ষিত বইয়ের একটি তালিকা করলে পাঠাগার থেকে কী পরিমাণ বই বিনষ্ট হয়েছে তার একটি ধারণা পাওয়া যাবে। একই সাথে পাঠাগারটির দ্বারা আবার ছাত্রদের পাঠাভ্যাস বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ওই কমিটিসহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন জুবিলীর বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্ররা। ওই নীরিক্ষা কমিটিতে শিক্ষক কালিপদ তালুকদারকে আহ্বায়ক ও মো: আব্দুল কুদ্দুছ, একেএম আজাদ, আনিছুর রহমান কামাল ও জসিম উদ্দিনকে সদস্য রাখা হয়েছে।