স্টাফ রিপোর্টার
মুষলধারে বৃষ্টির মাঝে তৃতীয় দিনের লকডাউনের বিধি নিষেধ অমান্যকারীদের গুণতে হয়েছে জরিমানা, যেতে হয়েছে কারাগারে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া যারা ঘর থেকে বের হয়েছেন তারাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানায় পড়তে হয়েছে। এদিকে শনিবার ভাইরাসে সনাক্তের হার ছিলো ২৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
শনিবার জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্যমতে, গেল ২৪ ঘন্টায় সুনামগঞ্জে আরও নতুন করে ২৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রন্তের সনাক্ত হয়েছেন। ৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ ২৩ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। যা পরীক্ষা বিবেচনায় সনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংক্রমণের এ ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের দেয়া সপ্তাহ ব্যাপী কঠোর লাকডাউন কার্যকর করতে মাঠে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত। গেল ৩ দিনে সুনামগঞ্জে সরকারি বিধি নিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ৩৪৪ মামলায় ৩৫৩ জনকে ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৪০৩ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এরমধ্যে লকডাউনের প্রথম দিনে জরিমানা করা হয়েছে ১২২ মামলায় ১২২ জনকে। এদিন এই মামলাগুলোর মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৬৩ হাজার ৫০ টাকা।
দ্বিতীয় দিনে জরিমানা করা হয়েছে ৮৫ জনকে। লকডাউন অমান্যকারী এ ব্যক্তিদের ৮৩ টি মামলা দিয়ে ১ লক্ষ এক হাজার সাতশ’ টাকা জরিমানা করা হয়।
শনিবার তৃতীয় দিনেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত ছিলো। এদিন ১৩৯টি মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ১৪৬ জনকে। জরিমানা দেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩ টাকা। এছাড়াও এদিন তাহিরপুরের জয়নগর গ্রামের আরিফ আহমদ নামের এক যুবককে একদিনের বিনাশ্রম কারাগারে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত ।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আল ইমরান রুহুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বললেন, মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রামণরোধে সরকারের এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে রয়েছে ২১ টি ভ্রাম্যমাণ আদালত। সামনের দিনেও লকডাউন কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।