ইয়াকুব শাহরিয়ার, শান্তিগঞ্জ
শান্তিগঞ্জে গত বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয়েছে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এ ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। যদিও শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এ ইফতার মাহফিলের আয়োজক, তবে সবাই এ ইফতারকে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের ইফতার বলেই মনে করেছেন। বিভেদ ভুলে সিলেট-সুনামগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মিলন মেলা বসেছিলো ইফতারে। কর্মী সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়, উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা জনপ্রতিনিধি আর সিনিয়র নেতাদের সরব উপস্থিতি পুরো ইফতার ও দোয়া মাহফিলকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিলো।
ইফতার মাহ্ফিলে সুনামগঞ্জ ৫ (ছাতক-দোয়ারা বাজার) আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ ১ (ধর্মপাশা-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন, সুনামগঞ্জ পৌর মেয়র নাদের বখত এসেছিলেন। সিলেট থেকে এসে যোগদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা এস এম নুনু মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, নোমান বখত পলিন, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হায়দার চৌধুরী লিটন, অ্যাড. নান্টু রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুর রহমান সিরাজ, উপ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী, সদস্য রেজাউল আলম নিক্কু, সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নূরুল ইসলাম, জগন্নাথপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া, জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. আবদুল আহাদ, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন দেব, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন লালন, পৌর প্যানেল মেয়র শাফরুজ ইসলাম, ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল মুকিত, সাধারণ সম্পাদক ত্বাহা আহমদ, ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত লাহিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপি বেগম, জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ, দিরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম চৌধুরী, তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কর, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, মৎসজীবী লীগ, ছাত্রলীগসহ উপজেলার সকল আওয়ামীপন্থি নেতৃবৃন্দ, সকল জনপ্রতিনিধিগণও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
ইফতার ও দোয়া মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. হাসনাত হোসেন বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে মন্ত্রীর আহ্বানে সবাই এক প্ল্যাটফর্মে এসেছেন। এজন্য সকলের কাছে আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন বলেন, বৃহস্পতিবারের ইফতারকে এক কথায় রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মিলন মেলা বলা যায়। সুনামগঞ্জের আগামী দিনের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরো গতিশীল করবে এই মিলন মেলা। বিশেষ করে রেললাইন, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রাজনীতিবিদদের মাঝে যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছিলো তা দূর হবে এবং এর কাজ দ্রুত ত্বরান্বিত করতে সহয়ক হবে।
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ বলেন, এমন আয়োজন আমাদের জেলায় নজিরবিহীন। সব নেতাকর্মীদের মিলন মেলা বসেছিলো। এই একত্রিত হওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, আমাদের মাঝে ঐক্যের একটি সুবাতাস বইছে।
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট বলেন, এতো বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয়কে অসংখ্য ধন্যবাদ। এ আয়োজনের মাধ্যমে জেলার রাজনীতিতে একটি ঐক্যের সুর উঠলো। আমাদের জেলায় যেসব উন্নয়ন হচ্ছে তা আরো দ্রুত ত্বরান্বিত হবে। আমরা মান্নান সাহেবের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবো। এই আয়োজনের খুবই দরকার ছিলো। মন্ত্রী মহোদয় করেছেন এজন্য তাঁকে ধন্যবাদ।