কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, দ.সুনামগঞ্জ
দেশের কর্মহীন ৫০ লাখ মানুষকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। সারাদেশের ন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জেও এই প্রণোদনার উপকারভোগীদের নাম যাচাই বাছাইয়ের জন্য চেয়ারম্যান, মেম্বারদের পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষকদের দেয়া হয়েছে ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব। করোনার মাঝেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকৃত উপকারভোগীদের যাচাই বাছাই করেছেন শিক্ষকরা।
কিন্তু ট্যাগ অফিসার হিসেবে কাজ করলেও সরকারি নির্দেশনা উপকারভোগী বাছাইকারী হিসাবে শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে। এতে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষককরা হয়েছেন স্তম্ভিত আর হতবাক।
মাধ্যমিক শিক্ষকদের অনেকেই বলেন, সরকারি প্রণোদনা বড় কথা নয়, আমরা যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি অন্তত তার স্বীকৃতি চাই। দুঃখের বিষয় একসাথে কাজ করেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে কিন্তু আমরা বঞ্চিত হয়েছি। আমাদের যেন প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, একই সাথে কাজ করেও আমাদের নামের তালিকা যায়নি। আমরা আর কিছু না হোক অন্তত আমাদের মূল্যায়নটুকু চাই।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরা আমাদের কাজের স্বীকৃতি চাই। আমরা এ ক্ষেত্রে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আমাদের কাছে চিঠি এসেছে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তালিকা দিতে আমরা দিয়েছি। আমাদের কাছে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের তালিকা চাওয়া হলে আমরা তা পাঠিয়ে দিব।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেবুন নাহার শাম্মী বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষকদের বিষয়ে ডিসি স্যারকে জানিয়েছি। স্যার মিনিষ্ট্রিতে জানাবেন, মিনিষ্ট্রি থেকে নির্দেশনা আসলেই তাদের তালিকা পাঠাব।