- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

টাঙ্গুয়ার হাওরে ডুবে নিহত শিক্ষার্থীর দাফন সম্পন্ন

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
টাঙ্গুয়ার হাওরে পানিতে ডুবে নিহত শিক্ষার্থী আশরাফুল হাসানের (২৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আশরাফুল হাসানের বাড়ি ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামে। সিলেট এমসি কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাদশাগঞ্জ
 ডিগ্রি কলেজ মাঠে জানাযা শেষে মাইজবাড়ি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গিয়ে গত বুধবার দুপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরে পানিতে ডুবে আশরাফুল হাসানের মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার টাঙ্গুয়ার হাওরে পানিতে ডুবে সিলেট এমসি কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আশরাফুল হাসানের (২৩) মৃত্যু হয়। সে সুনামগঞ্জ শহরের হাজীপাড়া’র বাসিন্দা এবং গণপূর্ত অফিসের কর্মচারী চাঁন মিয়ার ছেলে। চাঁন মিয়া ও হাসনা হেনার ৩ মেয়ে ও ১ ছেলের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান আশরাফুল হাসান। আশরাফুল তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে মঙ্গলবার তাহিরপুর সীমান্ত এলাকার নীলাদ্রি লেক ও টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে গিয়েছিল।
আশরাফুলের বন্ধু এমসি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাফিজুল ইসলাম জানায়, মঙ্গলবার বিকালে তাহিরপুর সীমান্তে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে তারা ১৮ জন বন্ধু সীমান্তের টেকেরঘাটে যায়। ওখান থেকে ফেরার সময় বুধবার দুপুর ১ টায় টাঙ্গুয়ার হাওরে পৌঁছায় তারা। টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ টাওয়ারে ট্রলার বেঁধে পানিতে সাঁতার কাটতে নামে সকলে। কিছুক্ষণ পর তাহিরপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় শিক্ষার্থীরা। ট্রলারের উপরে আশরাফুলের তোয়ালে দেখে সে ভেতরে টয়লেটে আছে ভেবে ট্রলার নিয়ে রওয়ানা দেয় সকলে। ১৫ মিনিট ট্রলার চলার পর আশরাফুলকে না দেখে ট্রলার নিয়ে আবার ওয়াচ টাওয়ারের পাশাপাশি যায় তারা। ওখানে টাওয়ারের ১০-১৫ ফুট দূরেই আশরাফুলের লাশ ভাসতে দেখা যায়।
স্পিডবোটে করে তাহিরপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তাররা আশরাফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর জানান,আশরাফুলের পরিবারের সদস্যরা মৃতদেহের ময়না তদন্ত করতে রাজি না থাকায় মঙ্গলবার রাতে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মহোদয়ের অনুমতিতে পরিবারের কাছে লাশ সমঝে দেওয়া হয়।

  • [১]