- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

টিসিবির পণ্য কিনতে উপচেপড়া ভিড়

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে টিসিবির পণ্য ক্রয়ে মালামাল কম থাকার অভিযোগে উত্তেজিত ক্রেতারদের তোপের মুখে পড়েন ডিলারশীপের লোকজন। তবে ইউএনও পদ্মাসন সিংহের উপস্থিতিত্বে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এ ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, সারাদেশের ন্যায় গত ১৬ জুন থেকে জগন্নাথপুর উপজেলায় টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়। ইউএনও জগন্নাথপুর নামের অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে ঘোষণা দেওয়া হয়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় থেকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে টিসিবির মালামাল বিক্রি করা হবে। মালামালের মধ্যে এক হাজার লিটার সোয়াবিন তেল, পাঁচশত কেজি মুসুরি ডাল ও পাঁচশত কেজি চিনি বিক্রি করা হবে আনুমানিক ২৫০ জন ভোক্তার মধ্যে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্য ক্রয় করার জন্য অনুরোধ করা হয়। করোনাকালিন সময়ে ন্যায়্যমূল্যে পণ্য কিনতে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে পরিষদ প্রাঙ্গণে। উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি। মানা হয়নি সরকারি নির্দেশনা।
এদিকে নির্ধারিত সময়ে টিসিবির সেলট্রাক উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আসে। এসময় শুধু তেল বিক্রি করতে গেলে ভোক্তারা প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি চিনি ও ডাল বিক্রি করতে হবে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনসাধারণ সেলট্রাক ঘেরাও করে রাখেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
টিসিবির ডিলার ধনেশ রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী আমরা পণ্য বিক্রি করছি। আমরা বরাদ্দ পেয়েছি এক হাজার লিটার তেল, ৫০০ কেজি ডাল, ৫০০ কেজি চিনি। এরমধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে ৩২৪ জন ভোক্তার মধ্যে জনপ্রতি দুই লিটার করে তেল দুইশত টাকা মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। অবশিষ্ট তেল রানীগঞ্জ বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া রানীগঞ্জ বাজারে দুইশত ভোক্তার মধ্যে ৫৫ টাকা দরে ৫০০ কেজি ডাল ও চিনি বিক্রয় করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, উপজেলা সদরে শুধু তেল বিক্রি করা হয়েছে। রানীগঞ্জ বাজার চিনি ও ডাল বিক্রয় করা হয়।

  • [১]