সালেহ আহমদ আলমগীর
(পর্ব-৩ )
সারা গায়ে ম্যাজমেজে ব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙল সকালে। ছোটরা তখনও কেউ কেউ ঘুমোচ্ছে। তবে বড়রা সবাই জেগে গেছেন। তাঁদের মুখগুলো দেখে একটু স্বস্তি পেলাম। গতরাতের সেই মৃত্যু-আতঙ্কটা এখন আর নেই চেহারায়। মনটা আরও ভাল হয়ে গেল খিচুড়ির গন্ধ পেয়ে। এখানে একজন মানুষের কথা না বললে অন্যায় হবে। বেঁচে থাকার অত্যাবশ্যক রসদের একটি হচ্ছে খাদ্য। প্রচন্ড সংকটের দিনগুলোতে এ রসদটির জোগান দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর নাম ফোরকান আলী। আমরা ছোটরা আমাদের ভাষায় তাঁকে ডাকি ‘পাক্কোনী মামা’ (পাকোয়ান থেকে পাক্কোনী)। আমাদের গ্রামেরই লোক, নিঃসন্তান বিপতœীক মধ্যবয়স্ক এক মানুষ। দীর্ঘদিন আমাদের পরিবারের সঙ্গেই আছেন, বয়সে আব্বারও কিছুটা বড়। মনে প্রাণে একজন পাচক। রান্না করা আর খাওয়ানো ছাড়া দিন-দুনিয়ায় আর কিছু করার আছে বলে তিনি জানেন না, বোধ হয় বিশ^াসও করেন না। গতকাল মামারা গ্রামের বাড়ি থেকে আসার সময় কয়েক বস্তা চাল সঙ্গে এনেছিলেন। টেকেরঘাটের বাসাতে রাখা হয়েছে সেগুলো। রাতে প্রাণ হাতে নিয়ে প্রায় এক-কাপড়ে আমরা বড়ছড়া এসেছি। তিনি কিন্তু ঠিকই দুটি হাঁড়ি-পাতিল ও কিছু চাল-ডাল একটা বস্তায় ভরে মাথায় করে নিয়ে এসেছেন। সকালে জেগেই তাঁর কর্তব্যটি তিনি সেরে ফেলেছেন। তাঁর হাতের খিচুড়ি দিয়ে ক্ষুধা-নিবারণ হলো। আশেপাশের অন্যরাও এর ভাগ পেলেন।
টেকেরঘাটে আছি সেই মে মাস থেকে। অথচ মাইল খানেক দূরের এ জায়গাটায় আসা হয়নি এর আগে। ঘুরে ঘুরে চারপাশটা দেখতে লাগলাম। ভারতের ভেতরে ঘুরছি, তবু কোন বাধা পেলাম না কোথাও। আসলে গতকাল থেকে সাব-সেক্টর প্রশাসন, বি.এস.এফ. এবং বড়ছড়ার পুলিশ সমন্বিতভাবে সব কাজ করছেন। একটু পরে আব্বা ডেকে পাঠালেন সেই বারান্দায়। গিয়ে দেখি সবাই গোছগাছ করছেন। কী ব্যাপার, আবার পালাতে হবে? অনেকটা সে’রকমই। সীমান্তের এত কাছে আমাদের অবস্থান করাটা কর্তৃপক্ষ মোটেও নিরাপদ মনে করছেন না। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি আমাদেরকে ভারতের আরও ভেতরে ঢুকে যেতে হবে। যাওয়ার জায়গাও ঠিক হয়ে গেছে। ভারত মানেই তো এখানে পাহাড়। সমতল জায়গা নেই কোথাও। সীমান্ত থেকে প্রায় এক মাইল ভেতরে আর সমতল ভূমি থেকে হাজার ফিট উপরে (স্মৃতি ও আন্দাজ থেকে বলছি, কমবেশী হতে পারে) বড়ছড়া টু শিলং রাস্তার পাশে রয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং সেন্টার। জায়গাটার নাম ‘চার নম্বর’। নামকরণটা রাস্তার নাকি কয়লা খনির নম্বর থেকে হয়েছে জানি না। (গুগল ম্যাপে দেখেছি এ এলাকায় সীমান্তের সমান্তরালে ভারতে একটা রাস্তা আছে, যেটার উপরে ৪ লেখা রয়েছে)। বৃটিশ আমলে এ পাহাড় থেকে কয়লা আহরণ করা হত। পাহাড়ে তখন কয়লা পরিবহণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তাই ‘রোপ ওয়ে’-র মাধ্যমে পূর্ববঙ্গের সমতলে নামিয়ে সে কয়লা নদীপথে ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা কলকাতায় পাঠানো হতো। সেই ‘চার নম্বরে’ যেতে হবে এখন আমাদের। কিন্তু একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে এখানে। ‘চার নম্বরে‘ যাওয়ার রাস্তাটা বি.এস.এফ. ক্যাম্পের ঠিক সামনে দিয়ে গেছে। তাহিরপুর পতনের প্রেক্ষিতে নিরাপত্তার স্বার্থে এই রাস্তাটায় আপাতত সব ধরণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিকল্প আর একটা পথে যেতে হবে আমাদের। সমস্যাটা সেখানেই। বলাবলি হচ্ছেÑ বিপজ্জনক ওই পথ দিয়ে পাহাড়ে উঠা সহজ হবে না মোটেও, বিশেষ করে মহিলাদের জন্যে। কিন্তু না গিয়েও তো উপায় নেই, এ জায়গাটা ছাড়তেই হবে। অগত্যা যাত্রা শুরু হলো। ঘড়িতে তখন সকাল প্রায় দশটা। সমতল ছেড়ে পাহাড়ী পথে উঠতেই মনে হলো আদৌ কি সম্ভব হবে এই পথ (?) পেরোনো? গত রাতের তুলনায় আজকের চলাটা তো দেখছি আরও বেশী ভয়ঙ্কর। পাকিদের গুলির ভয় নেই বটে, তবে অন্য যে দু’টি বিপদের কথা শুনেছি এবং বিশেষ করে এখন দেখছি, আসলেই আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার মতো অবস্থা। প্রথমটি হচ্ছে বন্য জন্তু আর সাপের ভয়। এখন দিনের আলোতে এত মানুষের সাড়া-শব্দের মাঝে আশেপাশে ওঁরা আছেন বলে মনে হলো না। তবু সাব-মেশিগান হাতে দু’জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন সাথে। বিপদসংকুল এই পথটা তাঁদের চেনা। উপরের ট্রেনিং সেন্টার থেকে নিচে লোকালয়ে তাঁরা শর্ট-কাট এই পথ দিয়েই যাওয়া আসা করেন। তাঁরা রইলেন সবার সামনে। আর দ্বিতীয় বিপদটি হচ্ছেÑ সরু পথ দিয়ে উপরে উঠার সময় পা পিছলে শত শত ফুট নিচে পড়ে গিয়ে প্রাণ হারানোর ভয়। এটিই হচ্ছে আসল বিপদ। একটু বিশদে বলি। পাহাড়ের গা বেয়ে এঁকে বেঁকে সরু পায়ে-চলা পথ উঠে গেছে উপরের দিকে। চওড়ায় দুই-তিন ফিট, কোথাও চার ফিট হবেÑ এর চেয়ে বেশী নয়। পাশাপাশি দু’জন হাঁটা যায় না, তাই কাফেলার মত একজনের পেছনে আর একজন করে উপরে উঠছি। বাম দিকে গভীর পাহাড়ী খাদ। তলায় মৃদু গর্জনের সাথে বয়ে চলেছে ‘বড়ছড়া’ নামের ছড়াটি। যত উপরে উঠছি খাদের গভীরতা ততই বাড়ছে। ভয়ে বাম দিকে তাকাচ্ছি না। ডান দিকেও কিছুদূর পরপর আরেক বিভীষিকা। একমাথা উঁচু কুচকুচে কালো রঙের ট্যানেল ঢুকে গেছে পাহাড়ের গা ছিদ্র করে ভেতরে। দেয়াল-মেঝে-ছাদ পুরোটাই কয়লা, তাই কালো। মেঝেতে রেল বসানো। বোঝা গেল, ট্যানেলগুলোর ভেতর থেকে এই রেলের উপর দিয়ে ট্রলি বোঝাই করে কয়লা আনা হত। এখন পরিত্যক্ত। কয়লা না আসলেও এখন চুইয়ে চুইয়ে আসছে পানি। সেই পানি পায়ে চলার পথটুকু ভিজিয়ে দিয়ে ভয়ানাক রকম পিচ্ছিল বানিয়ে রেখেছে। প্রতিটা ট্যানেলের মুখে চলার পথের ৮-১০ ফিট পিচ্ছিল জায়গা মরণ ফাঁদের মত মনে হচ্ছে। কুলহু আল্লাহ পড়ে পড়ে পা টিপে টিপে জায়গাগুলো পার হচ্ছিলাম। এ’রকম ক’টা ট্যানেল-মুখ ছিল মনে নেই, তবে ৫-৭ টা তো হবেই। যে আশঙ্কাটা করছিলাম সে’রকমটি প্রায় ঘটেই যাচ্ছিল। দেখে দেখে পা ফেলে একটু একটু করে উপরে উঠছি। আমার মাথায় সেই বিখ্যাত স্যুটকেস। ৬-৭ বছর বয়সের ছোট বোন সালমা আমার পেছন পেছন উঠছিল। হঠাৎ খশ্-খশ্ আওয়াজ শুনে পেছনে ফিরে দেখি সালমার এক পা পথের কিনারা থেকে খাদের দিকে নেমে যাচ্ছে, আর সে দু’হাত দিয়ে গাছের একটা শিকড় ধরে ঝুলে থাকার চেষ্টা করছে। আতঙ্কে মুখ দিয়ে কোনো আওয়াজ বেরোচ্ছে না। খাদের গভীরতা এখানে কয়েকশ’ ফিট হবে। পড়ে গেলে আর আস্ত পাওয়া যাবে না। ওর পেছনেই একটা বাঁক থাকায় পেছনের কেউ এ দৃশ্য দেখতে পারছিলেন না। যক্ষের ধন স্যুটকেস মাথা থেকে একপাশে ফেলেই ওর দিকে ঝাঁপ দিলাম। মাটিতে শুয়ে পড়ে দু’হাত দিয়ে ওকে জাপটে ধরে টেনে টেনে উপরে উঠালাম। ঘটনাটা মনে পড়লে আজও সারা গা কাটা দিয়ে উঠে। জীবন হাতে নিয়ে পাহাড়ের গা বেয়ে বেয়ে এক সময় ‘চার নম্বর’ জয় করা গেল। বেশ খানিকক্ষণ পরে বড়দের তদারকি ও সহায়তায় আম্মারা মানে মহিলারাও এসে পৌঁছালেন। কাহিল অবস্থা এক একজনের। বিশেষ করে নানুর।
‘চার নম্বর’ জায়গাটা সম্বন্ধে একটু বলা দরকার। এমনিতে দূর থেকে দেখলে যে কোনো পাহাড়কেই একটি একক পাহাড়ের মত মনে হয়, যার এদিকে দৃশ্যমান একটা ঢাল, উপরে চূড়া, ওপাশে চোখের আড়ালে আর একটা ঢাল। কিন্তু আসলে তো তা নয়। এই খাসিয়া জয়ন্তীয়া পাহাড় হচ্ছে গায়ে গায়ে লেপ্টে থাকা অজ¯্র উঁচু নিচু পর্বত আর টিলার সমষ্টি। ন্যাড়া পাথুরে অংশ কম, প্রায় পুরোটা বৃক্ষ-গুল্ম আচ্ছাদিত। তাই দূর থেকে নীলচে-সবুজ দেখায়। সমতল থেকে হাজার ফুট উপরে উঁচু পাহাড়রাজির পেছনে বড় একটা পাহাড়ের চূড়ার সব গাছ গাছালি কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে। চূড়াটা এমনিতেই বেশ চওড়া ও সমতল। পাশের উপত্যকার সাথে মিলে ঢেউখেলানো একটা মাঠের মতো হয়েছে। এটাই মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং সেন্টার। যার নাম ‘চার নম্বর’। কুড়ে ঘরের মত লম্বা একটা না দু’টো ব্যারাক আছে, ট্রেইনীরা থাকেন। এক পাশে ছোট্ট একটা ডিসপেন্সারী, দু’একজন রোগী থাকার ব্যবস্থা আছে। পাশে অফিসারদের ঘর। ভারতীয় মেজর বাট, ক্যাপটেন ভার্মা, লেফটেন্যান্ট জাজ ও রেজিমেন্টাল মেডিকেল অফিসার হিসেবে মামা (ডাঃ নজরুল) থাকেন এ ঘরে। জালাল মামার থাকার ব্যবস্থাও এ’ঘরে। সবগুলো ঘরেই মাটির ভিটা, টিন দিয়ে ঘেরা, উপরে টিনের চাল। মহিলারা মামার ঘরে আশ্রয় নিলেন। আমরা বাইরে গাছের ছায়ায়। ধীরে ধীরে জনসংখ্যা বাড়তে থাকল। গতরাতে বড়ছড়ায় যাঁরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলেন তাঁরাও এখানে এসে আশ্রয় নিতে থাকলেন। দুপুরের মধ্যেই সংখ্যাটা এক’শ ছাড়িয়ে গেল। মহিলাদেরকে ব্যারাকে জায়গা দিয়ে অন্যরা মিশে গেলেন আমাদের সাথে। বাইরে জায়গার তো আর অভাব নেই, মাইলের পর মাইল পাহাড় চারিদিকে। আদম সন্তান আছি আমরাই। আর জনা কয়েক ট্রেইনী যোদ্ধা। ট্রেইনীদের বেশীর ভাগ চলে গেছেন টেকেরঘাটে, গিয়ে যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন প্লাটুনে। এদিকে আমরা ছোটরা বেশ মজাতে আছি। ছোটাছুটি করছি, গাছে চড়ছি, জঙ্গলের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছি, বড়দের বকুনি খেয়ে আবার সাথে সাথেই বেরিয়ে আসছি। বেশ অ্যডভেঞ্চার অ্যডভেঞ্চার একটা ভাব। সকাল বেলা খিচুড়ি খাইয়ে পাক্কোনী মামা টেকেরঘাট থেকে ঘুরে এসেছেন। বাসা থেকে এক বস্তা চাল, কিছু ডাল ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে এসেছেন। তাঁর মাথায় চড়ে সেগুলো ইতোমধ্যে ‘চার নম্বর’ পর্যন্ত পৌঁছেও গেছে। পাহাড় থেকে লাকড়ী জোগাড় করে তিনি তাঁর ধ্রুপদি কর্ম শুরু করে দিলেন।
কতদিন বড়দল যাইনি। পাহাড়ের এত উপর থেকে দক্ষিণে নিচের দিকে তাকালে অনেক দূরের গ্রামগুলো পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের গ্রামটাকে দেখা গেল না, সামনের পাহাড়টার আড়ালে পড়ে গেছে। তবে দুপুরে খবর এসেছে, পাকিরা স্পীডবোটে করে নদী ও বড় হাওড়গুলোর পাড়ঘেঁষা কয়েকটা গ্রামে নেমেছে। অনেককে ধরে নিয়ে গেছে, কোথাও আবার মানুষজন জড়ো করে শান্তি কমিটি বানাতে বলেছে। নাব্যস্বল্পতায় বেশীরভাগ গ্রামগুলোর কাছে ভিরতে পারেনি ওদের বোট। আমাদের গ্রামের পশ্চিম পাশটা মাটিয়ান হাওড়-সংলগ্ন নিচু এলাকা হলেও পূব দিকটা বেশ উঁচু। বর্ষার পানি নেমে যাওয়াতে ভালভাবে নৌকাই চলছে না। পাকিদের বোটের ওদিকে যাবার সম্ভাবনা নেই বিবেচনায় লোকজন সাহস করে একটু আধটু চলাফেরা করছেন। অনেকে তাই ভারতে না এসে ওই এলাকার গ্রামগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। গ্রামবাসীরাও সহানুভূতি নিয়ে ঘরছাড়াদেরকে আশ্রয় দিয়েছেন। ওই দিনগুলোতে মানুষ একে অপরের জন্যে কত কী যে করেছেন, কত বড় বড় ঝুঁকি নিয়েছেনÑ আজকের দিনে সে সব ভাবলে অবিশ^াস্য মনে হবে।
বিকেলের দিকে ‘চার নম্বরে’ থাকা সবাই পাক্কোনী মামার হাতের খিচুড়ি খেলাম। ক্ষুধার মুখে এই চাল-ডাল সেদ্ধ যে কতটা কী ছিল তা বোঝানোর চেষ্টা করার কোনো মানে হয় না। কারণ ওই পরিস্থিতিতে না পড়লে সে স্বাদের ধারণা পাওয়াটা এক কথায় অসম্ভব। একটু পরে সন্ধ্যা নামল। পাহাড়ের সবুজ রং কালো হতে থাকল। গিরিরাজ্যের জনমানবহীন বিরান এক পাহাড়-চূড়ায় ক’টা মানুষের রাত কাটানোÑ সে ছিল অন্যরকমের এক অভিজ্ঞতা। জায়গাটার গাছ পালা কেটে ফেললেও বৃক্ষ-গুল্মের শক্ত শিকড় রয়ে গেছে মাটিতে। কাপড় বিছিয়ে সেই মাটিতেই শুতে হলো। একটু এপাশ ওপাশ করলেই গায়ে খোঁচা দিচ্ছে শক্ত শিকড়। মশা ঠেকাতে এদিক ওদিক ধোঁয়া দেয়া হয়েছে। মাথার উপর কৃষ্ণপক্ষের মেঘমুক্ত খোলা আকাশ। লক্ষ তারার হাট। কোনোটা মিটমিট করছে, আবার কোনোটা জ¦ল জ¦ল করে দৃষ্টি টেনে নিচ্ছে। ওই যে দেখা যাচ্ছে সপ্তর্ষিমন্ডল। আর ওটা ক্যাসিওপিয়া না? দেখতে দেখতে, খুঁজতে খুঁজতে একসময় তারার রাজ্য থেকে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেলাম। (চলবে)
লেখক : চিকিৎসক