- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

তবে স্টাডিতেই যাবে এক বছর

স্টাফ রিপোর্টার
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা- নেত্রকোনা সড়কের ১২ কিলোমিটার অংশ ওলওয়েদার (অর্থাৎ সব ঋতুতে চলাচলযোগ্য) করার কাজ শুরু হয়েছে। এই অংশটুকু ওলওয়েদার করার জন্য সেন্টার ফর এনভারমেন্টাল এন্ড জিওগ্রাফি ইনফরমেশন সিস্টেম (সিইজিআইএস) কর্তৃপক্ষ স্টাডি করার পর এই সড়কের ডিপিপি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। গত ১৮ সেস্টেম্বর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এই সংক্রান্ত সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়।
এলজিইডির সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা জানান, সুনামগঞ্জ- নেত্রকোনা সড়কের এই অংশটুকু প্রথম দিকে ডুবন্ত সড়ক করার পরিকল্পনা ছিল। এর উপর দিয়ে হেমন্তে গাড়ি চলবে এবং বর্ষায় ট্রলার, লঞ্চ বা নৌকা চলবে। কিন্তু স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনসহ এলাকাবাসী কোন ভাবেই সেটি মানতে রাজি হননি। তাদের দাবি এখানে ওলওয়েদার (সকল মৌসুমে যান চলাচলের উপযোগী) সড়ক করতে হবে। পরে এই সড়কের কাজ সেলিমগঞ্জ পর্যন্ত হবার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সড়কের তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) খুর্শেদ হাসান বলেন,‘সড়কটি সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ-সেলিমগঞ্জ-মান্নানঘাট-ধর্মপাশা পর্যন্ত ডিরিপ-১ প্রকল্পে ঢুকানো ছিল এবং মান্নানঘাট থেকে সড়কের ১২ কিলোমিটার অংশ ডুবন্ত হবার কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ এলাকাবাসী ডুবন্ত সড়ক কোনভাবেই না মানায় সেলিমগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক করার পর প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যায়। ডিরিপ-১ প্রকল্প ২০১৮’এর জুন মাসেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।’
খুর্শেদ হাসান জানান, সড়কটি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত হওয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এলাকাবাসী ওলওয়েদার সড়ক দাবি করায় এটি এখন ব্যাপকভাবে স্টাডি করা লাগছে। দেখতে হবে কোনদিকে পানি নামছে, কী পরিমাণ পানির বেগ রয়েছে, কোথায় সেতু বা কালভার্ট করতে হবে এবং মাটিও পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে হাওরের জীববৈচিত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোন কিছুই করা যাবে না।’
এই প্রকল্পের বর্তমান প্রকল্প পরিচালক (পিডি) বিপুল চন্দ্র বণিক বলেন,‘গত ১৮ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সভায় এই সড়কটি ওলওয়েদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওলওয়েদার করতে হলে কোথায় কী করা প্রয়োজন এটি স্টাডি করতে হবে। এজন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে স্টাডি’র বিষয়টি অনুমোদন হয়েছে। আমাদের দিক থেকে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত কাজটি করার, তবে আগামী এক বছর লাগবে স্টাডি করতেই। স্টাডি শেষে অন্য পক্রিয়ায় এগুনো যাবে।’

  • [১]