সন্যাসি, এরালিয়া কোনা ও গনিয়াকুড়ি বাঁধে কাজ না
করায় হাওরে পানি ঢুকছে
আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়া হাওরপাড়ের সন্যাসি,এরালিয়া কোনা ও গনিয়াকুড়ি ফসল রক্ষা বাঁধে কোন কাজ না করায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে হাওরগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এ ৩টি হাওরে শুক্রবার সকাল থেকে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে ৩টি হাওরের প্রায় ৭ শ’ একর জমির ধান গাছ পানির নীচে তলিয়ে গেছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারী ‘বাঁধ নির্মাণে বরাদ্দ নেই তাহিরপুরে অরক্ষিত বোর ফসলী হাওর’ শিরোনামে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে একটি প্রতিবেদনও ছাপা হয়েছিল। এ ৩টি হাওর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাজিনুর মিয়া বলেন, টাঙ্গুয়া হাওরের গনিয়াকুড়ি, এরালিয়াকোনা, নান্দিয়া, লামারগুল, টানেরগুল, রাঙ্গামাটিয়া, ফলিয়ার বিল, সন্যাসিসহ ৮টি হাওরের ফসল রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিলেই এ হাওরগুলো রক্ষা করা যেত। তিনি আরো বলেন,সন্যাসি, এরালিয়া কোনা ও গনিয়াকুড়িতে পানি ঢুকার কারণে বাকী ৫টি হাওরকেও
আর রক্ষা করা যাবে না।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, তাদের কাছে কোন বরাদ্দ না থাকায় টাঙ্গুয়া পাড়ের ৮টি হাওরের বাঁধে কোন কাজ করানো সম্ভব হয় না।
শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী খসরুল আলম বলেন, টাঙ্গুয়া পাড়ের হাওরের ফসল রক্ষার জন্য আমি পাউবো সহ স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি বরাদ্দ না দেয়ায় বাঁধে কাজ করা সম্ভব হয়নি।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, টাঙ্গুয়া হাওরপাড়ের গনিয়াকুড়ি, এরালিয়াকোনা, নান্দিয়া, লামারগুল, টানেরগুল, রাঙ্গামাটিয়া, ফলিয়ার বিল, সন্যাসিসহ হাওরগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা স্থানীয় কোন বরাদ্দ না থাকায় বাঁধগুলোতে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।