- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

তামাক আইন সংশোধনে চাপ অব্যাহত রাখতে হবে -পরিকল্পনামন্ত্রী

সু.খবর ডেস্ক
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন করতে সব পক্ষের উপর চাপ অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর রাসিরডাপে ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং’ আয়োজিত ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন’শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এ পরামর্শ দেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নান বলেন, দেশের ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কোন না কোন তামাক ব্যবহার করেন। তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বছরে মারা যান ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ। তামাকের এই ভয়াবহতা উপলব্ধি করে আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি’র সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন; আমরা তাকে সহায়তা করবো। এটা অর্জন করা সম্ভব। আমাদেরকে তামাক নিয়ন্ত্রণের পক্ষে কাজ করতে হবে। তামাক আইন সংশোধনে সকল পর্যায়ে চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের এগোতে হবে’।
বিশেষ অতিথি রুহুল হক বলেন, একজন ধূমপান করেন, কিন্তু সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। বিশেষ করে তরুণ এবং নারীদের মধ্যে এটা বেশি হচ্ছে। তামাকপণ্যের প্যাকেটে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ৯০ শতাংশ করতেই হবে।
এর আগে অনুষ্ঠানে তামাক আইন সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি। তিনি বাংলাদেশের তামাক ব্যবহারের চিত্র তুলে ধরে বিদ্যমান তামাক আইনের কোন কোন বিষয়গুলো সংশোধন করা জরুরি সেসব বিষয়গুলো উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক আইন সংশোধনের বিষয় তুলে ধরেন ফোরামের সাচিবিক সংস্থা স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ।
সভায় অন্যান্য সংসদ সদস্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল , অ্যাডভোকেট সৈয়দা রুবিনা আক্তার , অপরাজিতা হক , শবনম জাহান , জনাব উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী হোসেন আলী খোন্দকার, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা এবং তামাক-বিরোধী সংস্থা, অন্যান্য এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।

  • [১]