আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
তাহিরপুরে ৩ ইউনিয়নে অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে লেখাপড়া বিঘিœত হচ্ছে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের মধ্যে দক্ষিণ শ্রীপুর, উত্তর শ্রীপুর ও দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট অপেক্ষাকৃত বেশী।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের মনভোজ, দুধের আউটা, কলাগাঁও, বীরেন্দ্র নগর, তেলীগাঁও, গোলকপুর, শ্রীপুর, শিবরামপুর, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর, দুর্লভপুর, রামসিংহপুর,শরীফপুর, লামাগাঁও, মাহমুদপুর, সাহেবনগর, পৈন্ডুপ, মারালা, নোয়াগাঁও, দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে, কাউকান্দি, বড়দল, লেদারবন্দ, পুরান খালাস সহ উপজেলার ৩ ইউনিয়নে অর্ধ শতাধিক
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে উল্লেখিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা দান মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। অভিযোগ রযেছে শিক্ষক নিয়োগের সময় জেলা শিক্ষা অফিসে তদবীর করে উপজেলা সদর ইউনিয়ন কিংবা তাদের সুবিধামত স্থানে চাকুরীতে যোগদান করেন নিয়োগকৃত শিক্ষকরা। যে কারণে বৎসরের পর বৎসর হাওরপারের অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট থেকেই যায়। তাছাড়া হাওরপারের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকরাও সময় সুযোগ মত উপজেলা সদর সহ আশপাশের বিদ্যালয়গুলোতে বদলি হয়ে চলে যান। ফলে হাওরপারে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকট কাটেই না।
মাড়ালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কেচমেন্ট এলাকার বাসিন্দা শামীম আহমদে জানান, মাড়ালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪’টি পদ কখনো পূরণ হয়নি। বর্তমানেও প্রধান শিক্ষকের পদ টি শূন্য রয়েছে।’
শিবরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদা বলেন,‘আমি ১৯৯০ সাল থেকে অদ্যাবদি ৫ শিক্ষক পদের এ বিদ্যালয়টি ২ জনেই চালিয়ে আসছি।
তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী জাহান বলেন,‘শিক্ষক নিয়োগের সময় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উত্তর শ্রীপুর ও দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করলে সংকট কিছুটা কমবে। পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমও বিঘিœত হবে না।’