- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

তিনদিনের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমিরা টাঙ্গুয়ামুখি

স্টাফ রিপোর্টার
খুললো সুনামগঞ্জের পর্যটনের দুয়ার। আজ রোববার থেকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে টাঙ্গুয়ার হাওরে যেতে পারবেন পর্যটকেরা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অপার লীলাভূমি টাঙ্গুয়াসহ আশপাশের এলাকার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ লেক ( নিলাদ্রী লেক), বারেকের টিলা ও জাদুকাটাসহ সুনামগঞ্জ সীমান্তের সকল পর্যটন স্পটে চলাচলের অনুমতি হলো পর্যটকদের। তবে হাওরে ট্রলারে কেউ রাত্রী যাপন করতে পারবেন না। পর্যটন জোনে চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় শনিবার থেকেই পর্যটক বেড়ে গেছে তাহিরপুরে। লাগাতার তিনদিন ছুটি পাওয়ায় এবং প্রায় ৫ মাস পর সরকারিভাবে চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় পর্যটকের আগমন বেড়েছে বলে জানালেন স্থানীয়রা।
প্রসঙ্গত. অন্য যে কোন বছরের চেয়ে এবার সৌন্দর্য্য বেড়েছে পর্যটনজোন তাহিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওরসহ
আশপাশের এলাকায়। প্রকৃতি যেন নিজেরমত করে অপরূপ সাজে সেজেছে। হাওরে এবার বিশাল জলরাশি। গাছাগাছালিও যেন সবুজের ছায়ায় হাতছানি দিয়ে ডাকছে।
গত প্রায় ৫ মাস তুলনামূলকভাবে পর্যটক কম আসায় গাছাগাছালি থেকে শুরু করে সবকিছুরই সৌন্দয্য বেড়েছে।
দেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তের জীববৈচিত্র সমৃদ্ধ সবচেয়ে বড় জলাভূমি বিশ্বের অন্যতম রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর। জল, জোছনা আর ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের সৌন্দর্য একসঙ্গে দেখা যায় এখানে। সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায় টাঙ্গুয়ার হাওরের অবস্থান। ছয়কুড়ি বিল, নয়কুড়ি কান্দার সমন্বয়ের এ হাওরের দৈর্ঘ্য ১১ এবং প্রস্থ ৭ কিলোমিটার। শীত, গ্রীস্ম ও বর্ষা একেক ঋতুতে এই হাওড় একেক রূপ ধারণ করে। এই মৌসুমে অন্যান্য হাওরের সঙ্গে মিশে এটি সাগরের রূপ ধারণ করেছে।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম জানালেন, রোববার থেকে সুনামগঞ্জের পর্যটন জোন টাঙ্গুয়ার হাওর, বারেকের টিলা, শহীদ সিরাজ লেকে চলাচলে কোন বাঁধা নেই পর্যটকদের, তবে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। হাওরে ট্রলারে কেউ রাত্রীযাপনও করতে পারবে না।
গত, ১৯ মার্চ থেকে সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরসহ দর্শনীয় স্থানগুলোয় পর্যটকদের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

  • [১]