ইয়াকুব শাহরিয়ার, দ. সুনামগঞ্জ
ভোটের রাজনীতিতে সব সময় না হলেও মাঝে মাঝে তাদের নাম আলোচনায় চলে আসে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের রাজনীতিতে। বিগত দিনে জমিয়তের শরিক-রাজনীতি এ উপজেলায় লক্ষণীয় হলেও ইদানিং তাদের কোনো কর্মকান্ড চোখে পড়ছে না। তবে দলের কেন্দ্রীয় মহা সচিব শাহিনূর পাশা চৌধুরী যেনো মনোনয়ন পান এ জন্য তারা লবিং করে যাচ্ছেন। এতে দলের ‘ঠান্ডা ইমেজ’ কিছুটা চাঙ্গা হওয়ার কথা থাকলেও রাজনীতির মাঠে একেবারে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে দলটি।
দীর্ঘদিন ধরে দলের কোনো কর্মকান্ড চোখে না পড়ায় সাধারণ জনমনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে, আগামী নির্বাচনে তারা জাতীয়তাবাদী জোটের প্রার্থী হতে পারবে কি না। এ ছাড়াও এ সুযোগে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতারা তাদের দলীয় প্রার্থীতার ব্যপারে দাবি তুলে আসছেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নিজস্ব ব্যনারে চোখে পড়ার মতো কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকায় বিএনপির হাইকমান্ডও জমিয়তের প্রার্থীকে মনোনয়ন দিবেন কি না তা নিয়েও ভাববেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। তবে জমিয়তের অনেক কর্মীকে প্রায় সময় অনেক ইসলামী সংগঠনের ব্যানারে জলসা,
তাফসিরুল কুরআন মাহফিল ও ইসলামী গজল সন্ধ্যায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
এদিকে আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মননোয়ন প্রত্যাশী নেতাদের মাঝে কর্মতৎপরতা দেখা গেলেও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে তেমন কোনো কর্মতৎপড়তা দেখা যাচ্ছে না জমিয়তের কেন্দ্রীয় মহাসচিব সাবেক সংসদ সদস্য মাও. শাহিনূর পাশা চৌধুরীর মাঝে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ শাখার সিনিয়র অনেক নেতাই মনে করছেন, মাও. শাহিনূর পাশা চৌধুরীর আগমন কম হওয়ায় কর্মীদের মাঝে একটা অলসভাব কাজ করছে। যদি তিনি নিয়মিত এ এলাকায় আসতেন তাহলে নেতারা উদ্দীপ্ত থাকতো।
জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাও. তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘কর্মতৎপরতা যে একেবারেই নাই তা কিন্তু নয়, আমরা মাঠে আছি। ধীরে ধীরে কাজ করছি। কিছুদিন আগে আমাদের উপজেলা জমিয়তের সদস্য সংগ্রহের কাজ শেষ করেছি। এখন যুব জমিয়তের কাজ চলছে, ফেব্রুয়ারি থেকে ছাত্রজমিয়তের কাজ চলবে। দলের হাইকমান্ডের নেতারা দলীয় কিছু নীতি নির্ধারণী নিয়ে কাজ করছেন তাই এলাকায় আসতে পারছেন না। আর শাহিনূর পাশা চৌধুরী এলাকায় কম আসায় কাজে কিছুটা শিথিলতা এসেছে এটা সত্য। তাকে এখনই আসাতে হবে। মানুষের সাথে কথা বলতে হবে। কারণ আমারাই আগামী নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হবো।’