- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

দমকা হাওয়ায় জেলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত- এক লাখ ২০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

বিন্দু তালুকদার
নিম্নচাপের কারণে বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ো বাতাসে বিদ্যুতের মেইন লাইনে বাঁশ ও গাছপালা পড়ে সুনামগঞ্জ জেলায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বিপর্যয় ঘটেছে। দিনভর বিদ্যুৎহীন ছিলেন জেলার প্রায় এক লাখ ২০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক।
শনিবার সকাল থেকেই পল্লী বিদ্যুৎ ও আবাসিক বিদ্যুৎ বিভাগে থেমে থেমে চলছিল লোডসেডিং। এরপর দুপুর ১২ টা থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অর্থাৎ রাত ৭ টা পর্যন্ত পুরো জেলা বিদ্যুৎহীন ছিল। রাতে বিদ্যুৎ আসবে এমন আশা পাওয়া যায় নি বিদ্যুৎ বিভাগের নিকট থেকে।  
পল্লী বিদ্যুৎ ও আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ শনিবার সন্ধ্যায় দাবি করেছে ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ছাতক-সুনামগঞ্জের ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনে বাঁশ ও গাছ-গাছালি  উপড়ে পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘœতা ঘটছে। একাংশ মেরামত করলে আরেকাংশে গাছ-গাছালি পড়ে সমস্যা হচ্ছে। এ কারণে সারা জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ১ লাখেরও বেশী ও জেলা শহর ও আশপাশ এলাকার প্রায় ২০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না।
আবাসিক বিদ্যুৎ বিভাগের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের এক কর্মী জানান, শনিবার সকালে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এলাকায় ছাতক-সুনামগঞ্জ ৩৩ কেভি লাইনে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। খবর পেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন সেই ত্রুটি মেরামত করেন। এরপর দ্রুত গতির ঝড়ো বাতাস শুরু হলে বিভিন্ন এলাকায় গাছ-গাছালি উপড়ে পড়ে।
সুনামগঞ্জ আবাসিক বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সেলিম শনিবার সন্ধ্যায় বলেন,‘ আমাদের মেইন লাইনে বড় কোন ত্রুটি ছিল না, চাহিদা মোতাবেক বিদ্যুতের সরবরাহও ছিল। মেইন লাইনে বাঁশ ও গাছ-গাছালি পড়ে সমস্যা হয়েছে। ঝড়ো বাতাস বন্ধ না হলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আমাদের জন্য খুব কঠিন হবে। ’
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. সোহেল পারভেজ বলেন,‘আবহাওয়ার উন্নতি না হলে ৩৩ কেভির ১৩৪ কিলোমিটার লাইন মেরামত করা সম্ভব হবে না। কারণ বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে লোকজন বাসা-বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। বাতাসের গতি কমার পরপরই আমরা লাইন মেরামতের কাজ শুরু করব। ’

  • [১]