- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

দস্যুতার মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লার চাঞ্চল্যকর দস্যুতা মামলায় দুই আসামীকে চার বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। রবিবার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন কবির এই রায় প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, শাল্লার রঘুনাথপুর গ্রামের আশিষ রঞ্জন অধিকারী ২০১২ সালের ১৭ অক্টোবর রাতে খাওয়া দাওয়া সেরে পরিবারের লোকজনসহ ঘুমিয়ে পড়েন। রাত একটায় তার মেয়ে মৌলি তার কক্ষে এসে জানায়, তাদের ছাদের উপরে শব্দ শুনা গেছে। এসময় তিনি দরজা খুলে বের হয়ে দেখেন ১০-১২ জন লোক হাতে লোহার শাবল, রড, ছুরি ও লাঠি নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়ানো। তিনি দরজা বন্ধ করতে গেলে ডাকাতরা এজাহারকারী ও তার স্ত্রী অনিতা রানীকে আক্রমণ করে মারধর শুরু করে। স্ত্রী অনিতা, মেয়ে প্রিসিলা, ছেলে চিরঞ্জীব অধিকারী ও কাজের মেয়ে শোলতা বৈষ্ণব-এর দুহাত বেঁধে মেয়ের রুমে আটকে রাখে তারা। শেষে স্টীলের আলমিরা খুলে নগদ ৪২ হাজার টাকা, ১৪ আনা ওজনের দুটি স্বর্ণের চেইন, পাঁচ আনা ওজনের স্বর্ণের কানের দুল, ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের বালা, পাঁচ আনা ওজনের স্বর্ণের আংটি, এক ভরি ওজনের স্বর্ণের প্রেমপাশা, আট আনা ওজনের এক জোড়া কানের রিং, দুটি নোকিয়া মোবাইল সেট, ১৭ ইঞ্চি রঙ্গিন টিভি, দুটি স্ট্যান্ড ফ্যান, তিনটি শাড়ি, তিনটি শার্ট নিয়ে যায়।
ডাকাতরা আধাঘন্টা সময় তাÐব চালিয়ে এক লাখ ৯২ হাজার দুইশ টাকার মালামাল লুট করে।
এ ব্যাপারে শাল্লা থানায় মামলা হয়। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামী উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের ছাদেক মিয়া, তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে।
পরে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন কবির সাক্ষ্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামী মো: ছাদেক মিয়া ও মো: তাজুল ইসলামকে চার বছর করে সশ্রম কারাদন্ড এবং আট হাজার টাকা অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরো চার মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
রায়ের বিষযটি নিশ্চিত করেছেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত পিপি শামছুল আবেদীন।

  • [১]