দিরাই প্রতিনিধি
দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ভিজিএফ’র ৩০ বস্তা চাল
আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপজেলা উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রনধীর চন্দ্র দাস সরেজমিন উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। এ ঘটনায় তাড়ল ইউনিয়নে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।
তাড়ল ইউনিয়নের ৮ নং ও ৯ নং ওয়ার্ডের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যে ভিজিএফ এর ১৫ মেট্রিকটন ও ভিজিডি’র ৬ মেট্রিক টন ৩’শ কেজি মোট ১৭০ বস্তা চাল উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে ২৮ জুন চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস ও ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য আজিজুর রহমান গ্রহণ করে নোয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মজুদ করেন। শনিবার এসব চাল বিতরণের কথা থাকলেও তা না করে বিতরণের আগেই ৩০ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রি করে দেন বলে জানান ইউপি সদস্য মিলন মিয়াসহ কয়েকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান ট্যাগ অফিসার রনধীর চন্দ্র দাস।
রনধীর চন্দ্র দাস জানান, আমি খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি ১৭০ বস্তা চালের মধ্যে ৮২ বস্তা চাল মজুদ আছে এবং খালি ৫৮টি বস্তা পাই।
চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস বলেন, নৌকায় লোড না হওয়ার কারণে দিরাই বাজারের ব্যবসায়ী বাদলের দোকানে ৩০ বস্তা চাল রেখে যাই। আজ (শনিবার ) এই চাল নেয়া হবে। আত্মসাতের বিষয়টি তিনি গুজব বলে উড়িয়ে দেন ।
জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস, ইউপি সদস্য লাল মিয়া ও শিমুল মিয়াকে নিয়ে শুরু থেকেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ বাণিজ্য ও ত্রাণ বিতরণসহ বিভিন্ন ভাতা প্রদানে অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছেন। ৩০ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রির ঘটনায় ইউপি সদস্য লাল মিয়া ও শিমুলের হাত রয়েছে বলে একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়। তাড়ল ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুসের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান পাবেল বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। প্রথমে চাল উদ্ধারে জোর দেয়া হচ্ছে। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।