- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

দিরাইয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ- সুরঞ্জিতের বিরুদ্ধে মতিউরের বিষোদাগার

স্টাফ রিপোর্টার, দিরাই
দিরাইয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ৫০০ গজের মধ্যেই সভা করে আওয়ামীলীগ উপদেষ্টামন্ডলীর সভাপতি সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এমপির বিরুদ্ধে বিষেদাগার করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিউর রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টার দিকে তাড়ল ইউনিয়নের ধল বাজারে সভা করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচীতে যারা বিরোধিতা করেছে, তারা আওয়ামীলীগের কেউ নয়, এরা স্বঘোষিত সেন লীগ। এরা ওয়ান ইলিভেন থেকে শুরু করে সব সময়ই আওয়ামীলীগের বিরোধিতা করছে।
ধল পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একই সময়ে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সভা আহবান নিয়ে আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে সভাস্থলের ৫০০ গজের মধ্যে ওই দিন রাত ১২ টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারী করেন। বিকাল ৪ টার দিকে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মতিউর রহমান সভাস্থলে যেতে চাইলে পুলিশের বাঁধার ষ্টুখে পড়ে ৫০০ গজের মধ্যেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুরু করেন।
তাড়ল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আইদুল্যা মিয়া বলেন, এখানে দলের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যেমন এলাকার এমপি তেমনি মতিউর রহমান জেলা আওযামীলীগের সভাপতি। কাউকেই আমরা খাটো করে দেখতে চাই না। কিন্তু মতিউর রহমান এখানে এসে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকে সাথে নিয়ে সভা করবেন এটা কোনোভাবেই আমরা মেনে নিতে পারছি না।
উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দিরাই পৌরসভার মেয়র মোশাররফ মিয়া বলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি   
 হচ্ছেন, মতিউর রহমান। উনার মতো দায়িত্বশীল একজন দলীয় নেতা ইউনিয়ন পর্যায়ে এসে সভা করলে, সেটা অবশ্যই উপজেলা কমিটি জানতো। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ধল পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মতিউর রহমানের আগমনের কোনো বার্তা আমরা পাই নি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরকে বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রোগাম তৈরি করে এক সপ্তাহ আগেই আমাকে দাওয়াত করেছেন। তাদের কর্মসূচি ছিল পূর্ব নির্ধারিত। তাই আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমি কারো বিরুদ্ধে কোন বিষোদগার করিনি। কিন্তু কিছু লোক হঠাৎ করে গত রাত্রে একই জায়গায় সভা আহবান করে। প্রশাসন আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সভা-সমাবেশ করতে বাধা-নিষেধ করেছেন। আমি বিষয়টি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবগত করেছি।’

  • [১]