স্টাফ রিপোর্টার
অধ্যক্ষকে মারপিটের ঘটনায় দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা। বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন হয়। দোয়ারাবাজার উপজেলা শিক্ষক সমিতির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে উপজেলার সবকয়টি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
দোয়ারাবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ একরামুল হকের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইনচান মিঞা।
প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন কলাউড়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কলিমুল্লাহ্, দিনেরটুক আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, চামতলা মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হক, আমবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, সোনালীচেলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, দোয়ারাবাজার সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক, টেরাংটিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়না মিয়া, দোয়ারাবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নজীর উদ্দিন, বড়খাল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক লোকমান হেকিম, সমুজ আলী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ অসিম মোদক, বোগলা রোসমত আলী রামসুন্দর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো.কামাল উদ্দিন, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধক্ষ্য আলী উসমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, একজন অধ্যক্ষকে মারপিটের ঘটনায় আমাদের রক্তকরণ হচ্ছে। কঠিন পরীক্ষায় পড়েছেন দোয়ারাবাজারের শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার থেকে এএসসি পরীক্ষা। শিক্ষক হিসাবে এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়া নৈতিক দায়িত্ব। এরমধ্যে এতো বড় ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন, উৎকণ্ঠিত। এই ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের আন্দোলন চলবে। তিনদিনের মধ্যে ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তার না হলে কঠোর কর্মসূচি দেবার কথাও জানান শিক্ষকরা।
দোয়ারাবাজারের সবচেয়ে বড় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বড়খাল স্কুল এ- কলেজ ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। বর্তমানে এর ছাত্র সংখ্যা এক হাজার সাতশ’ প্রায়।
প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ নিয়ে গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রভাবশালী ভূমিদাতা পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ- পরিচালনা কমিটির বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরেই গত রোববার অধ্যক্ষকে পিঠিয়েছে ভূমিদাতা পরিবারের লোকজন।