দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার ডিগ্রী কলেজের দুই ছাত্রের হাতাহাতির জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রসহ ৭ জন আহত হয়েছে। রবিবার বিকালে মাজেরগাঁও গ্রামের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রবিবার বিকেলে কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল। এসময় দুই পরীক্ষার্থী মাজেরগাঁও গ্রামের হারুন ও শরীফপুর গ্রামের ফাহাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে হারুন তার পকেটে থাকা মোটরসাইকেলের টাইমিং চেইন বের করলে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির একপর্যায় হারুনের কাছ থেকে টাইমিং চেইনটি কেড়ে নেয়ার সময় হারুনের হাতের আঙ্গুলের কিছু অংশ কেটে যায়। পরে হারুন কলেজ থেকে বের হয়ে মাজেরগাঁও গ্রামের সামনে াটিসোটা নিয়ে ফাহাদকে মারধর করে। খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
মারধরের ঘটনায় আহত হয়েছে কলেজ ছাত্র ফাহাদ, জুনায়েদ, আকাশ, মেহেদি, সুমন, হারুন। এসময় হারুনের পিতা আব্দুল জলিলও আহত হন। আহত জলিলকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলেজ ছাত্র হারুন জানায়, কলেজে ফাহাদকে নিয়ে একটি শালিস চলছিল; এসময় আমি সামনে গেলে ফাহাদ আমাকে গালিগালাজ করে।
তবে ফাহাদের দাবি পরীক্ষা চলাকালীন সময় হারুন তাকে উদ্দেশ্য করে উস্কানিমুলক কথাবার্তা বলছিল। প্রতিবাদ করলে হারুন পকেট থেকে মোটরসাইকেলের টাইমিং চেইন বের করে এলোপাতারি মারধর করে। এসময় তার হাত থেকে চেইনটি কেড়ে নিলে হারুনের হাতের আঙ্গুলের কিছু অংশ কেটে যায়। এর জের ধরে হারুন তার বাড়ির সামনে আত্মীয়-স্বজন নিয়ে তাদের উপর হামলা করে।
দোয়ারাবাজার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ একরামুল হক জনান, ফাহাদ ও হারুন ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মারামারি করেছে। রাজনৈতিক বা কলেজের কোন বিষয় নিয়ে এঘটনা ঘটেনি। তারপরও আমরা তাতক্ষণিক বিষয়টির মিমাংসা করে দেই। কলেজের বাহিরে মারামারি করলে এটা আমরা জানার বিষয় না।
দোয়ারাবাজার থানার ওসি (তদন্ত) বেলায়েত হোসেন বলেন,‘ কলেজে দুই ছাত্রের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে হারুন তার বাড়ির সামনে লাটিসোটা নিয়ে প্রতিপক্ষের উপর আক্রমন করলে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করি।