- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

দোয়ারায় চেয়ারম্যানের হাতে ইউপি সচিব লাঞ্ছিত

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজারে নরসিংপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সচিবকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন সচিব ও ইউপি চেয়ারম্যান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে নরসিংপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন আহমদ, তার ভাইসহ আরও কিছু ইউপি সচিব টিটু রঞ্জন দাসকে মারধর করেন। এসময় জোরপূর্বক সচিবের স্বাক্ষর নিয়ে চেক ছিনিয়ে নেয়।
ইউপি সচিব টিটু রঞ্জন দাস বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকালে চেয়ারম্যান আমাকে কাজ না করেই চেকে স্বাক্ষর করার কথা বললে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এসময় চেয়ারম্যান তার আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কক্ষে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ক্ষতি সাধন করে। আমার থাকার রুম ও আমার অফিস কক্ষে   তিনি আমার অবর্তমানে তালা ঝুলিয়ে দেন। আমি তাতে বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে লোকজন নিয়ে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালান ও আমাকে মারধর করেন। এসময় জন্ম নিবন্ধন ফি’র ২৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। আশপাশে থাকা এলাকার লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করেন।
এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সচিবের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করেন।
ইউপি সচিব টিটু রঞ্জন দাস চেয়ারম্যান ও তার ভাই শামীম আহমদসহ আরও চারজনের নাম উল্লেখ করে দোয়ারাবাজার থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন।
ইউপি চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন আহমদ সচিবকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘ইউপি সচিব মিন্টু রঞ্জন দাস প্রায় সময় অনুপস্থিত থাকেন এবং জন্ম নিবন্ধন ফি’র টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। তার সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সরকারি কার্যক্রমে মারাতœক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ বলেন, ‘দুই জনের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দোয়ারাবাজার থানার ওসি (তদন্ত) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘সচিবকে মারধর করার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

  • [১]