স্টাফ রিপোর্টার
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার উজানীগাঁও গ্রামের প্রবাসী রহমত আলীর স্ত্রী পপি বেগম নিজের শ্বশুর আক্রম আলী, আইয়ুব আলী ও দেবর রবিউল আউয়াল ও জা রক্তিনা বেগমের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বৃহস্পতিবার পৌর বিপণীতে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পপি বেগম বলেন, আমি একজন প্রবাসীর অসহায় স্ত্রী। আমার স্বামী দীর্ঘদিন যাবত সৌদি আরবে আছেন। আমি আমার তিনটি নাবালক সন্তান নিয়ে অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। স্থানীয় একটি ভূমিখেকো চক্র আমাদেরকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকে হামলা-মামলাসহ নানা নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাদের হামলা-মামলায় আর নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে জানমাল নিয়ে বর্তমানে ভীষণ নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি।
তিনি আরও বলেন, আমার শাশুড়-শাশুড়ি মৃত্যুর পর প্রায় ১৫ বছর পূর্বে আমার ২ ভাশুর ও ১ দেবর তাদের পৈত্রিক জায়গা জমি ভাগ বাটোয়ারা করে নেন। ওই সময় পৈত্রিক ভিটেবাড়ি খানা আমার ২ ভাশুর এবং ভিটা সংলগ্ন দক্ষিণ পাশ্বের্র ডোবার পূর্ব অংশ আমার স্বামী রহমত আলী এবং পশ্চিম অংশ দেবর রবিউল আউয়ালকে বাটোয়ারা করে দেন। এরপর আমার স্বামী ও আমার প্রবাসী ৪ ভাইয়ের সহায়তায় আমি উক্ত ডোবায় মাটি ভরাট করে পাকা ঘর নির্মাণ করে তথায় বসবাস করে আসছি। সম্প্রতি আমার ভাশুর আক্রম আলী, আইয়ুব আলী ও দেবর রবিউল আউয়াল আমার নির্মাণাধীন বসত ঘর থেকে আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্রে উঠেপড়ে লেগেছে। রক্তিনা বেগম হেরে গিয়ে তার প্রভাবশালী গ্রাম্য কুচক্রীগণের সাহায্যে আমাকে ও আমার পুত্র কন্যাকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দ্বারা অপহরণ পূর্বক খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দিচ্ছে। যেকোন মুহূর্তে রক্তিনা বেগম ও তার লাঠিয়াল বাহিনী কর্তৃক আমাদের জানমালের অপূরনীয় ক্ষতি হতে পারে।
ইতোপূর্বে সংবাদ সম্মেলনে রক্তিনা বেগমের দাবি করা বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানান।