- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

দ. সুনামগঞ্জে ওএমএসের চাল চালুর দাবি

পাগলা বাজার প্রতিনিধি
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে সরকার কর্তৃক কমমূল্যে বিতরণকৃত ওএমএসের চাল পুনরায় বিতরণের দাবি উঠেছে। সাধারণ মানুষের দাবি, ফসলহানির পর মানুষ যখন দিশেহারা তখন সরকার প্রতিটি উপজেলায় ডিলারের মাধ্যমে কেজি প্রতি ১৫ টাকা দরে চাল ও আটা বিতরণ করে। কম করে হলেও এ চালে প্রতি ডিলার এলাকায় ৩শ থেকে ৪শ মানুষ চাল নিতে পারতো। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি নেমে আসে সাধারণের মনে। কিন্তু হঠাৎ করে সরকার এ চাল বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে দুঃশ্চিন্তার রেখায় আবারও কপালে ভাজ পরে সাধারণ মানুষের। এখন সকলের একটাই দাবি আপৎকালীন সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যেনো ওএমএসের চাল বিক্রি অব্যাহত রাখেন।
কৃষকদের আপৎকালীন সময় চলছে। কৃষকসহ সাধারণ মানুষের মাঝে এখনো স্বস্তি ফিরে আসে নি। এ অবস্থায় ওএমএসের চাল বিক্রি বন্ধ করে দেওয়াটা সমীচীন হয়নি বলে জানিয়েছেন অনেকে। চলতি আমন মৌসুমের ধান ঘরে তুলতে সময় লাগবে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত। সেই সময় পর্যন্ত যদি ওএমএসের চাল চালু না হয় তাহলে অস্বস্তি থেকেই যাবে।
ভ্যান চালক      
আবুল কাশেম বলেন, আমরা কিছুটা দিন নিশ্চিন্ত ছিলাম। ১৫ টাকা কেজি করে সপ্তাহে দু’একবার চাল কিনতে পেরেছি।  কিন্তু এখন চাল  বিক্রি বন্ধ হওয়ায় আমার মতো আরো শত শত মানুষ কষ্টে কাটাচ্ছে। আমার দৈনিক আয় ২শ ৫০ থেকে ৩শ টাকা। ভরা মৌসুমেও চালের যে দাম আয়ের অর্ধেকের বেশি টাকা চালেই খরচ হয়ে যায়। ওএমএসের চাল চালু থাকলে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারি।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আবদুল মছব্বির বলেন, আমরা চাই সরকারি এ চালের বিক্রি পুনরায় শুরু করা হোক। কারণ এ চালের চাহিদা অনেক বেশি।
দেলোয়ার হোসেন নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, সরকারি এ চাল বিক্রি চালু হোক সেটা চাই। তবে সেই চাল সঠিকভাবে গরিবদের কাছে বিক্রি হচ্ছে কি না সেটা যেনো সরকারিভাবে তদারকি করা হয়। আমরা দেখেছি, সরকারি এ চাল কোনো কোনো ডিলার গরিবের কাছে না বিক্রি করে বস্তায় বস্তায় অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছে। পত্রিকায় দেখেছি। সরকারি তদারকি বাড়িয়ে চাল বিক্রি পুনরায় চালু হোক।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোছা. রোমানা আফরোজ বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে উপর মহলে কথা বলেছি। এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তবে আশা করছি আগামী সপ্তাহের মাঝেই একটা রেজাল্ট পাবো।

  • [১]