ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা উপজেলার নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিপালী রাণী দাস ও সহকারি শিক্ষক মনি রাণী তালুকদারকে লাঞ্ছিত ও নির্যাতন করার ঘটনায় দায়ের করা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে
বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা চেয়ে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করছেন শিক্ষক দিপালী রাণী দাসের স্বামী দুলাল চন্দ্র তালুকদার।
জানা যায়, গত ৩ মার্চ ওই বিদ্যালয়ের সম্প্রতি বাতিল হওয়া ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সর্বানন্দ তালুকদার তাঁর লোকজনকে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিপালী রাণী দাস ও সহকারি শিক্ষক মনি রাণী তালুকদারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও নির্যাতন করে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন। গত বুধবার সর্বানন্দ তালুকদারসহ ৫ জনকে আসামি করে দিপালী রাণী দাস বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা শিক্ষকের পরিবার ও তাঁদের আত্মীয় স্বজনের ক্ষতি সাধন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়।
দুলাল চন্দ্র তালুকদার বলেন, সর্বানন্দ তালুকদার মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমার পবিরার ও আত্মীয় স্বজনকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছে। তাই নিরাপত্তা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত আবেদন সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে দিয়েছি।
মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার বিষয়টি সত্য নয় দাবি করে সর্বানন্দ তালুকদার বলেন, এটি অনার্থক কথা ও সাজানো নাটক। এ ধরনের কোনো আলোচনাই করা হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, তিনি গত বৃহস্পতিবার দাপ্তরিক কাজে সুনামগঞ্জ ছিলেন। আবেদনটি হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।