স্টাফ রিপোর্টার
তিন দফা বন্যায় শহরতলীর ধারারগাঁও, কাইমতর ও গোদারগাঁও সড়কের বিভিন্ন স্থান ভেঙে পড়েছে। এই কারণে সড়কে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন। সড়কের দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রজ্জাক, শফিক মিয়া, আলী নুর জানান, বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুরবাননগর ইউনিয়নের ধারারগাঁও, কাইমতর ও গোদারগাঁও সড়কের সাইট ভেঙেছে ২১ স্থানে, সড়কের মাঝামাঝি ভেঙেছে ৩ স্থানে এবং ১ স্থানে সড়ক ভেঙে খাল আকৃতি ধারণ করেছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ৩ গ্রামের মানুষ ছাড়াও নতুন ব্রাহ্মণগাঁও, নদীর উত্তরপাড়ের বিরামপুর, চানপুর, বালিকান্দি (আংশিক), ছফেরগাঁও, বল্লবপুর এলাকার মানুষ চলাচল করেন থাকেন। এই সড়ক দিয়ে সিএনজি, অটোরিক্সা, পিকআপ, মোটরবাইক ইত্যাদি যানবাহনও চলাচল করে। সড়ক সংস্কার না হওয়ায় এসব যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই সড়কে মানুষজন চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন।
গোদারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সামাদ, আব্দুল হক ও আব্দুল হাকিম বলেন, তিন দফা বন্যায় সড়কের বিন্যাস হয়েছে। সড়কের মেরামত কাজ না হওয়ায় মানুষ ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। জরুরিভিত্তিতে এই সড়কের সংস্কার করা দরকার।
কাইমতর গ্রামের বাসিন্দা ইলিয়াছ মিয়া বলেন, ধারারগাঁও-গোদারগাঁও সড়ক খুব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই সড়কে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ চলাচল করেন। সড়কের বিভিন্ন স্থান ভেঙে যাওয়ায় চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে।
সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবু তাহের বলেন, ধারারগাঁও-গোদারগাঁও ধসড়কের আশপাশের গ্রাম এবং নদীর উত্তরপাড়ের কয়েকটি গ্রামসহ অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শহরে আসা-যাওয়া করেন। সড়ক ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে মানুষ এখন মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন।
কুরবাননগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, তিন দফা বন্যায় সড়ক ভেঙে যাওয়ায় শহরে আসা-যাওয়ায় মানুষ মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে সড়ক রক্ষায় অনেক কাজ করেছি। মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে আনতে সড়কের পাকাকরণ জরুরি প্রয়োজন।
সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ধারারগাঁও-গোদারগাঁও এলাকায় ভেঙে যাওয়া সড়কের প্রাক্কলন পাঠানো হয়েছে। বাজেট অনুমোদন হয়ে আসলে সড়কের কাজ শুরু হবে।